জনঅংশগ্রহণমূলক ছায়া বাজেট সংসদ ২০১৭

 

২৪ মে, ২০১৭ । বুধবার > সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা > ভেন্যু: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় প্রেক্ষাপট
জাতীয় বাজেট ২০১৭-১৮ বিভিন্ন কারণেই চ্যালেঞ্জিং। ইতিমধ্যে আমরা ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপে প্রবেশ করেছি। মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত¦রান্বিত করা সরকারের জন্য অতীব চ্যালেঞ্জিং। তার চেয়েও বেশি চ্যালেঞ্জিং সার্বজনীন প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৌশল নির্ধারণ এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্য হ্রাসে যথাযথ রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় পরিসেবায় বাজেট বৃদ্ধির এজেন্ডা একটি জনপ্রিয় দাবি। উল্লেখ্য প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের আকার আনুক্রমিক হারে বড় হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এর প্রাথমিক আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,০০,০০০ কোটি টাকা। অথচ ব্যয়ের গুণগত মান ও বাজেট যথাযথ ব্যবহারে দক্ষতার অভাব এখনো একটা বড় সমস্যা।

নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের ফলে বাজেট ঘাটতি, সম্ভাব্য মূদ্রাস্ফীতি রোধে মুদ্রানীতির প্রয়োগ, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সহ মৌলিক সেবাখাতের বাজেট সংকুচিত হবে, না কি নতুন অর্থায়ন হবে সে বিষয়টি আলোচনার দাবি রাখে। বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি করছে যা দরিদ্র মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বলাবাহুল্য রাজস্ব ঘাটতি সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি সরকারের ক্রমবর্ধমান আভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে। চরম দারিদ্র হ্রাসে সরকার সফলতার দাবি করলেও ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ও টেকসই কর্মসংস্থানের অভাব মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন ও পেশায় ধাবিত করছে।

জেলা পরিষদের নির্বাচন নিঃসন্দেহে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে একটি আনুষ্ঠানিক মাইলফলক। কিন্তু প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে একইসাথে জেলা পরিষদকে কার্যকরী করা এখন সময়ের দাবি। প্রশ্ন থেকে যায় যে, নব গঠিত এই জেলা পরিষদগুলোর পরিচলন ব্যবস্থা কী হবে? গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনসহ নাগরিক সমাজের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকরী জেলা পরিষদের দাবি করা হচ্ছিল। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা পরিষদ সর্বোপরি জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়ন করবে সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সঠিক উদ্যোগের অভাব রয়েছে। অন্যদিকে খাতভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী বাজেট প্রণয়ন একইসাথে বিভিন্ন পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও চাহিদার প্রতিফলণ এখনও পর্যন্ত সুদূরপরাহত।

এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, নারী,দলিত, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন বাজেটসহ জাতীয় পরিকল্পনায় অংশভাগিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও বাজেটের বিকেন্দ্রীকরণ কাঠামো এবং এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনের বিষয়গুলি বিস্তারিত পরিসরে আলোচনায় আসা দরকার। সে লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন, জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি যৌথভাবে আগামী ২৪ মে, ২০১৭ (বুধবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, পেশা ও বৈশিষ্ট্যের মানুষের অংশগ্রহণে ৩য় বারের মতো ‘জন-বাজেট সংসদ ২০১৭’ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

যেহেতু প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনসাধারণের আনুষ্ঠানিক মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই, তাই জন-বাজেট সংসদের মতো বিকল্প প্লাটফর্ম -এর মাধ্যমে জনগণের পরিকল্পনা ও বাজেট বিষয়ক মতামত বাজেট বিষয়ক সংসদীয় ককাসের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে তুলে ধরা হবে। এটি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত আয়োজন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জন-বাজেট সংসদের উদ্দেশ্য
১. শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, নারী, দলিত, প্রতিবন্ধী, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন বাজেটসহ জাতীয় পরিকল্পনায় অংশভাগিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও বাজেটের বিকেন্দ্রীকরণ কাঠামো এবং এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনের বিষয়গুলি বিস্তারিত পরিসরে আলোচনা করা ও নীতিনির্ধারকবৃন্দে দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রতিশ্রুতি আদায় করা।
২. প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আসন্ন বাজেট অধিবেশনে এ বিষয়ে আলোচনা উত্থাপন করা এবং সরকারকে প্রভাবিত করা।

কাক্সিক্ষত ফলাফল
ঢাকা ঘোষণা ২০১৭ এর মাধ্যমে জনসাধারণের পরিকল্পনা ও বাজেট বিষয়ক প্রস্তাবনা ও দাবিসমূহ মাননীয় সংসদসদস্যবৃন্দের কাছে তুলে দেওয়া হবে। এই দাবিনামা সংসদের আসন্ন বাজেট অধিবেশনে পেশ করা হবে। ককাসের সদস্যবৃন্দ এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

সংসদের অংশগ্রহণকারী
ঢাকাসহ সারাদেশের ৪০টির অধিক জেলা থেকে প্রায় ১০০০ অংশগ্রহণকারী জন-বাজেট সংসদে যোগ দেবেন। সাধারণ পেশাজীবী, শিক্ষার্থী-তরুণ, নারী, দলিত, আদিবাসী, প্রতিবন্ধীসহ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জনগোষ্ঠী, গবেষক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, ট্রেড ইউনিয়নকর্মী এখানে উপস্থিত থাকবেন ও মতামত প্রদান করবেন।

ফরমেট/ সম্ভাব্য অনুষ্ঠান বিবরণী
উদ্বোধনী, সমাপনীসহ ভিন্ন ভিন্ন ফরমেটের ইন্টারঅ্যাক্টিভ কর্ম-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী ও প্রথম অধিবেশন (জাতীয় বাজেট, জনঅংশগ্রহণ ও বিকেন্দ্রীকরণ):
জাতীয় বাজেট প্রক্রিয়ায় জনঅংশগ্রহণের কথা বলা হলেও প্রকৃত অর্থে জনগণের চাহিদার প্রতিফলন দেখা যায় না। অনুরূপভাবে জেলা বাজেট প্রবর্তণের মাধ্যমে বাজেট বিকেন্দ্রীকরণের একটি পথরেখা তৈরি হলেও তা পরিণত হওয়ার আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেছে। এ ফলে এক দিকে বাজেট বিকেন্দ্রীকরণের ধারা ব্যাহত হয়েছে অন্যদিকে জাতীয় বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও ম্রিয়মান হয়ে পড়েছে। সর্বোপরি বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সুশাসনের বিষয়টি আড়ালে রয়ে গেছে। এ অধিবেশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে সামগ্রিক উন্নয়নে জাতীয় বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় জনঅংশগ্রহণ ও বাজেট বিকেন্দ্রীকরণসহ অর্থনৈতিক সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা। এ অধিবেশনের মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষ করে অঞ্চল ভিত্তিক চাহিদা সংগ্রহ করা হবে এবং নীতি নির্ধারক মহলকে অবহিত করা হবে।
সামাজিক উন্নয়ন ও জাতীয় বাজেট (স্বাস্থ্য-শিক্ষা)
সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক পুঁজির বিকাশ বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য নি¤œ মধ্যম থেকে মধ্যম আয়ের পথ পরিক্রমায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী বিষয়। এটি অনস্বীকার্য যে শিক্ষা হচ্ছে ব্যক্তি, পরিবার এবং জাতীয় পর্যায়ে সম্পদ সৃষ্টিকারী একটি প্রভাবক। তেমনি সকল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা একটি শক্তিশালী শ্রমশক্তি তৈরি এবং তা পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখতে পারে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সামাজিক অবকাঠামোর আওতায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনার অবতারণা করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গের মতামত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি সামগ্রিক পরিস্থিতির চিত্র আলোচনা থেকে বের করে নিয়ে আসাই এ কর্ম অধিবেশনের প্রত্যাশিত ফলাফল।

কৃষি-শ্রম ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট (কৃষি,শ্রম ও কর্মসংস্থান)
বাংলাদেশ এখনও কৃষিভিত্তিক দেশ এবং কৃষি ক্ষেত্রে শ্রম নিয়োজনের হার শিল্পের তুলনায় কম নয়। কৃষি-শিল্প নির্বিশেষে শ্রমিকের কর্ম পরিবেশ তথা শোভন কাজ দেশের উৎপাদনশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কর্মক্ষেত্রে শোভন কাজের বিকাশ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করবে। এ বিবেচনায় এ অধিবেশনটি তিনটি (কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান) বিষয়ের আলোকে বিন্যস্ত করা হয়েছে। কৃষি বিষয়ক আলোচনায় বাজার ব্যবস্থায় ক্ষুদ্র উৎপাদকের নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য, কৃষি উপকরণ ও ভর্তুকিসহ যথাযথ প্রযুক্তির ব্যবহার- এর ওপর আলোকপাত করা হবে। এছাড়া কৃষক হিসেবে নারীর স্বীকৃতি এবং ভূমির অধিকারসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে তাদের অবাদ প্রবেশাধিকার- এ বিষয়গুলো বিশেষভাবে আলোচিত হবে। অবস্থান আর্থ-সামাজিক সমস্যা, শ্রম ও কর্মসংস্থান উভয় বিষয়ের ক্ষেত্রে শিল্প খাতকে কেন্দ্র করে আলোচনা বিবর্তিত হবে। এক্ষেত্রে শ্রম বিষয়ক আলোচনায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ, উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষা- এ তিনটি শোভন কাজের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ওপর বিশেষ আলোকপাত করবে। কর্মসংস্থান বিষয়ক আলোচনায় বিশেষ জনগোষ্ঠী যেমন নারী প্রতিবন্ধী ও যুবসমাজকেই প্রাধাণ্য দেয়া হবে। তবে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সদ্ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট (দলিত, আদিবাসী, জেন্ডার, প্রতিবন্ধীতা)
যদিও বাজেটে নারীর অন্তর্ভুক্তি রয়েছে এবং জেন্ডার বাজেটের ধারা চলমান, তথাপি নারীর কৌশলগত চাহিদার বিষয়টি এখনও সুস্পষ্টভাবে বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি। কেননা নারী উন্নয়ন নীতির আলোকে বাজেট প্রণয়ন করা হয়না। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হিসেবে দলিত আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ কম-বেশি থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ আনুপাতিক হারে অপ্রতুল। এদের জীবনমানের প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে হলে বরাদ্দের পরিমাণের চেয়ে তাদের চাহিদার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন আনা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে। এ বিষয়গুলোর পুঙ্খানুুপুঙ্খ আলোচনার মাধ্যমে নারী আদিবাসী দলিত ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর বিশেষ ও কৌশলগত চাহিদাগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে একটি ঐকমত্যে আসা এ অধিবেশনের প্রত্যাশা।
সমাপনী অধিবেশন
জন-বাজেট সংসদ মূলত: আঞ্চলিক বাজেট শুনানী এবং গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন জেলা কমিটির বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগের একটি সম্মিলিত চূড়ান্ত রুপ। দিনব্যাপী ছায়া-বাজেট সংসদের বিভিন্ন অধিবেশনের মধ্যদিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিভিন্ন পেশা ও বৈশিষ্ট্যের মানুষের আলোচনাক্রমে যেসকল সুপারিশ ও দাবি উঠে আসবে তা চূড়ান্তভাবে এই অধিবেশনে উপস্থাপিত হবে। যা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ঢাকা ঘোষণা’ নামে জড়িত সকল পক্ষের জন্য প্রকাশ করা হবে।

ভেন্যূঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সিনেট হল, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন
স্পেশাল সম্মেলন কক্ষ, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন
মিটিং রুম, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন

আয়োজক
জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস
সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন

সহ-আয়োজক
অ্যাকসেস্ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠি অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস্), গণসাক্ষরতা অভিযান, ফর দ্যা উইম্যান বাই দ্যা উইম্যান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইনিশিয়েটিভ ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (আইএইচডি), জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্ট, কাপেং ফাউন্ডেশন, খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি), কর্মজীবী নারী, লোকাল ইনিশিয়েটিভ ফর ডেভেলপমেন্ট (এলআইএফডি), নাগরিক উদ্যোগ, পিপলস্ হেলথ মুভমেন্ট (পিএইচএম), এসপিইডি, সেইফটি এন্ড রাইটস্ সোসাইটি, ইউনিস্যাব, তারুণ্যের বাজেট আন্দোলন

স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার/ সহযোগী
সমমনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও সংস্থাসমূহ: একশনএইড বাংলাদেশ।