জাতীয় বাজটেরে গণতন্ত্রায়ন, বিকেন্দ্রীকরণ ও জন-অংশগ্রহণ ২০১৭

মনোয়ার মোস্তফা
সদস্য, নর্বিাহী র্পষদ
গণতান্ত্রকি বাজটে আন্দোলন

সার-সংক্ষপে
জাতীয় বাজটে একটি গুরুত্বর্পূণ রাজনতৈকি ও র্অথনতৈকি দললি। র্অথায়নরে জন্য করারোপ ও বাজটেে ব্যয় বরাদ্দরে ধারা ভন্নি ভন্নি জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবকিাকে ভন্নি ভন্নি মাত্রায় প্রভাবতি কর।ে বাজটে সকোরণইে জনগুরুত্বর্পূণ। কন্তিু এই বাজটে প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সাধারণ জনগণ বা নাগরকিদরে প্রত্যক্ষ কোন ভূমকিা নইে। শুধুমাত্র নর্বিাচতি সংসদসদস্যগণ বাজটে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারনে। কন্তিু সাংবধিানকি ও অন্যান্য নানা ধরণরে বধিি বধিানরে কারণে সংসদসদস্যগণও র্কাযকরভাবে বাজটে আলোচনায় অংশ নতিে পারনে না। অনকেক্ষত্রেে তাঁদরে অনাগ্রহও লক্ষ্য করা যায়। মন্ত্রণালয় ও বভিাগভত্তিকি জাতীয় বাজটে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রয়িা মূলত আমলাতন্ত্র ও কন্দ্রে নর্ভির। জাতীয় সংসদরে মাধ্যমে ‘পরোক্ষ অংশগ্রহণ’ বাজটে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রয়িায় র্কাযকর কোন প্রভাব ফলেতে পারে না। জাতীয় বাজটে প্রণয়নরে ক্ষত্রেে নাগরকিদরে সবচেয়েে কাছরে সরকার বলে পরচিতি- স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলরি কোন ভূমকিা নইে। বাংলাদশেে বাজটেরে মতো একটি জনগুরুত্বর্পূণ বষিয় র্কাযকর জনঅংশগ্রহণ ছাড়া প্রণীত ও বাস্তবায়তি হয়। এটা নঃিসন্দহেে ‘গণতান্ত্রকি ঘাটত’ি। এই ঘাটতি পূরণরে জন্য জাতীয় সংসদরে র্কাযকর ভূমকিা নশ্চিতি করার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলকিে বাজটে প্রণয়ণ প্রক্রয়িার সাথে যুক্ত করা দরকার। এটাই জন-অংশগ্রহণ নশ্চিতি করার পথ। এ জন্য বদ্যিমান সাংবধিানকি ধারা ও অন্যন্য বধি-িবধিান সংস্কাররে প্রয়োজন রয়ছে।ে এসব সংস্কার র্কাযক্রমই গণতন্ত্রায়নরে পথকে প্রশস্ত করব।ে

ভূমকিা
গত একদশক ধরে বাজটে নয়িে সাধারণ মানুষরে আগ্রহ ও সচতেনতা অনকে বড়েছে।ে ছোটবড় ব্যবসায়ীজোট, চম্বোর, শল্পিপত,ি বভিন্নিজনগোষ্ঠী, এনজওি, নাগরকি সমাজরে সচতেনঅংশ সকলইে এখন বাজটে বষিয়ে সরব ভূমকিা পালন কর।ে বাজটে প্রণয়নরে প্রাক্কালে র্অথমন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব র্বোড ও বভিন্নি গোষ্ঠীর সাথে তাদরে ‘দাব-িদাওয়া নয়িে আলাপ-আলোচনা কর।ে কন্তিু প্রস্তাবতি বাজটেে এসব দাব-িদাওয়ার কতোটা প্রতফিলন ঘট-ে তা প্রশ্নসাপক্ষে। লক্ষণীয় বষিয় হলো, শক্তশিালী র্স্বাথগোষ্ঠী ব্যতীত অন্যকোন গোষ্ঠী বশিষে করে প্রান্তকি বা নম্নিবত্তি জনসাধারণ বাজটে সংক্রান্ত আলোচনা গুলতিে অংশ নতিে পারনো।

বাহ্যত বাজটে সরকাররে আয়-ব্যয়রে হসিাব হলওে, এটকিে কউেকউে গণতন্ত্ররে প্রাণও বলে থাকনে। কনেনা বাজটেরে আইনগত ভত্তিটিি দাঁড়য়িে আছে ‘নোট্যাক্সশেন উইদাইট রপ্রেজেনেটশেন- এই ধারণার ওপর। র্অথাৎ জনগণরে প্রতনিধিদিরে অনুমোদন ছাড়া করা রোপ করা যাবে না। একারণইে জনগণরে নর্বিাচতি প্রতনিধিদিরে সভা তথা জাতীয় সংসদকে বাজটে অনুমোদনরে দায়ত্বি দয়ো হয়ছে।ে নর্বিাচতি জনপ্রতনিধিি শুধু জাতীয় সংসদইেনয়, স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলতিওে রয়ছেনে। অথচ তারা কউেই জাতীয় বাজটে প্রণয়ন প্রক্রয়িার সাথে যুক্ত নন।

বাংলাদশেরে সংবধিানরে ৮০ থকেে ৯২ অনুচ্ছদে র্পযন্ত বাজটে প্রণয়ন প্রক্রয়িা সর্ম্পকে বস্তিারতি বলা হয়ছে।ে তাছাড়া সংসদরে র্কাযপ্রণালীবধিতিে বাজটে সংক্রান্ত একাধকি বধি-িবধিান সন্নবিশেতিহয়ছে।েএসব বধি-িবধিান র্পযালোচনা করে দখো যায়, বাজটে মূলত সরকাররে নর্বিাহী বভিাগ বশিষে করে র্অথমন্ত্রণালয় ও র্অথমন্ত্রীর অধীন। অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বভিাগসমূহ র্অথমন্ত্রণালয়রে আজ্ঞাধীন। তৃণমূল র্পযায়রে জনসাধারণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলি বাজটে প্রণয়নরে সাথে কোনভাবইে যুক্ত নয়।

সাম্প্রতকি কালে রাজধানী-কন্দ্রেকি যে প্রাক-বাজটে আলোচনার সূত্রপাত ঘটছে,ে তার কোন স্থায়ী আইনগত ভত্তিনিইে। এটা একান্তই র্অথমন্ত্রণালয়রে বদান্য ব্যতীত কছিু নয়।ফলে গণতন্ত্ররে প্রাণ হসিবেে ববিচেতি বাজটে নামক বষিয়টতিে সাধারণ নাগরকিদরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ- উভয় ধরণরে অংশগ্রহণরে প্রশ্নটি গুরুত্ব সহকারে হাজরি হয়ছে।ে জন-অংশগ্রহণমূলক একটি গণতান্ত্রকি সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতষ্ঠিার জন্য বাজটেরে গণতন্ত্রায়নরে কোন বকিল্প নইে।

কেন্দ্রীভূত বাজটে প্রক্রয়িা
সাংবধিানকিভাবে বাংলাদশে শুধু এক কন্দ্রেকি রাষ্টই নয়, এটা একটি অত-িকন্দ্রেীভূত সরকার ব্যবস্থাও বট।ে গ্রামে একটি রাস্তা বানাতে হলে বা একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য সবো বা শক্ষিার ব্যবস্থা করতে গলেে কন্দ্রেে সদ্ধিান্ত নতিে হয়। গ্রামরে একজন অবসরপ্রাপ্ত শক্ষিককে তার পনেশন-গ্রাচুইটরি জন্যও দফায় দফায় রাজধানীতে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে হয়।এই কন্দ্রেীভূত সদ্ধিান্তগ্রহণ কাঠামোই, বাজটকেওে কন্দ্রেীভূত ব্যবস্থায় পরণিত করছে।েসংশ্লষ্টি আইন-কানুন বধিবিধিানগুলওি সভোবে তরৈহিয়ছে।ে

মূলত: র্অথমন্ত্রণালয় ও পরকিল্পনা মন্ত্রণালয়ই যৌথভাবে বাজটেরে খসড়া তরৈরি কাজ সম্পন্ন কর।ে র্অথমন্ত্রণালয়রে অধীন জাতীয় রাজস্ব র্বোড সামগ্রকি র্অথায়নরে সংিহভাগ কর আকারে সংগ্রহ কর।েকররে ক্ষত্রে, হার ইত্যাদি নয়িে ব্যবসায়ী-শল্পিপতদিরে সংগঠনরে সাথে আলাপ-আলোচনা কর।ে কন্তিু এসব কররে অভঘিাত যসোধারণ মানুষরে ওপর পর,ে সইে মানুষরে সাথে কোন কথোপকথনরে সুযোগ থাকে না। ফলে বাজটে বষিয়ক আলোচনা মূলত: একপাক্ষকি হয়ে যায়।আকবর আলি খানরে মত,ে সারাবশ্বি জুড়ে জাতীয় বাজটে গুলোর বড়সড় দুটো সীমাবদ্ধতা রয়ছে।ে প্রথমত, তাদরে গণতান্ত্রকি চহোরা থাকা সত্ত্বওে জাতীয় বাজটেগুলো আসলে গুটি কয়কে লোকরেই কাজ। আয় ও ব্যয়রে ভারসাম্য এবং একটি কঠোর সময় সূচরি মধ্যে অনুমোদনরে বাধ্যবাধকতা বপিুল সংখ্যক র্স্বাথসংশ্লষ্টি মহলকে বাজটে প্রক্রয়িার চূড়ান্ত ফলাফলে অংশগ্রহণ থকেে সরয়িে রাখ।ে যখোনে জনগণ একটি মুখোমুখি সদ্ধিান্ত গ্রহণ প্রক্রয়িায় নজিরোই সদ্ধিান্ত নতিে পারে সখোনে একটি জাতীয় বাজটে হচ্ছে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্ররে সর্ম্পূণ বপিরীত।

অন্যদকিে বাংলাদশেে বাজটে তরৈি ও আলোচনার ক্ষত্রেে সময়স্বল্পতা অংশগ্রহণরে ক্ষত্রেে অন্যতম প্রতবিন্ধকতা হসিবেে কাজ কর।ে বভিন্নি র্স্বাথসংশ্লষ্টিগোষ্ঠী এমনকি নর্বিাচতি সংসদ সদস্যগণও বাজটে নয়িে আলোচনার জন্য যথষ্টে সময় পান না। এ প্রসঙ্গে আকবর আলি খানরে অভমিত, র্স্বাথসংশ্লষ্টিদরে চাহদিার ব্যাপারে সুপারশি দবোর জন্য খুবই কমসময় র্বাষকি বাজটে চক্র দয়ে। বাজটে তরৈরি তাড়াহুড়োয় নতুন চাহদিাগুলোকে প্রায়ই মুলতবি রাখা হয়। কনেনা এগুলো প্রক্রয়িাজাত করতে বড় দরেি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাক।ে তব,ে তার সাথে এই নশ্চিয়তা অবশ্য দয়ো হয় য,ে আগামী বছরে সগেুলো ববিচেনা করা হব।ে কন্তিু বশেরিভাগ প্রতশ্রিুত বষিয়গুলো আগামী বছরে কখনোই আসে না। সময়রে বাঁধাধরা নয়িম শুধুমাত্র র্স্বাথসংশ্লষ্টি মহলকইে নয়, বরং জনগণরে পক্ষ থকেে ব্যয় তদারকরি দায়ত্বিপ্রাপ্ত নর্বিাচতি প্রতনিধিদিরে ও অংশগ্রহণ রুদ্ধ করে দয়ে।বাজটে প্রণয়নরে ক্ষত্রেে নর্বিাহীরা র্অথ বছররে বশেরি ভাগটাই ব্যয় করে ফলেনে, তাই আইন প্রণতোরা বশেি সময় পান না।

বলাবাহুল্য, গণতান্ত্রকি সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় বাজটেরে চরত্রি ও গণতান্ত্রকি হওয়া উচতি। কন্তিু অতি কন্দ্রেীভূত সরকার ব্যবস্থা বাজটেকে আমলাতান্ত্রকি র্চচায় র্পযবসতি করার মধ্য দয়িে এর অগণতান্ত্রকি চরত্রিরে আকাঙ্খাকে সমূলে বনিষ্ট করে দয়িছে।ে বাজটে হয়ে উঠছেে একটি কন্দ্রেীভূত আমলাতান্ত্রকি প্রক্রয়িার ফল।এই কন্দ্রেীকরণ প্রক্রয়িার অনবর্িায ফল হসিবেে এসছেে নানা ধরণরে গোপনীয়তা ও এই সুত্র-ে অব্যবস্থাপনা ও র্দুনীত।ি

অংশগ্রহণরে সীমাবদ্ধতা
জাতীয় সংসদই বাজটে অনুমোদনরে একমাত্র বধৈ র্কতৃপক্ষ। কন্তিু সাংবধিানকি ধারার কারণে সংসদসদস্যগণ অনকে বষিয়ইের্কাযকর কোন ভূমকিা রাখতে পারনে না। মঞ্জুরি দাবসিমূহ যভোবে উপস্থাপতি হয়, সভোবইে সটো পাশ হয়ে যায়। এক্ষত্রেে বাজটেে নতুন কোন ব্যয় অনুমোদনরে ক্ষমতা সংসদসদস্যগণকে দওেয়া হয়ন[িঅনুচ্ছদে: ৮৯(২)] । সংযুক্ত তহবলিরে দায়যুক্ত ব্যয় নয়িে সংসদে আলোচনার সুযোগ দযো হয়ছেে বট,ে তবে তাহা ভোটরে আওতাভূক্ত হইবনো [অনুচ্ছদে- ৮৯(১)] । তাছাড়া সংবধিানরে ৭০ অনুচ্ছদেরে উপস্থতিরি কারণে সরকারদিলরে সংসদ সদস্যগণ অপছন্দ হলওে বাজটেরে বরিুদ্ধে ভোট দতিে পারনে না।
বদ্যিমান সংসদীয় র্কাযপ্রণালীবধিি ও বাজটেে সংসদ সদস্যগণরে অংশগ্রহণকে নানাভাবে বাধাগ্রস্থ কর।ে সংসদীয় স্ট্যান্ডংি কমটিগিুলি ও বাজটে নয়িে আলোচনা করতে পারনো। র্কাযপ্রণালীবধি১ি১১(৩)-এ বলা হয়ছে:ে বাজটে কোন কমটিতিে প্ররেণ করা হইবে না এবং এই অধ্যায়ে র্বণতি বধিান অনুযায়ী ব্যতীত বাজটে সর্ম্পকে অন্য কোন প্রস্তাব উত্থাপন করা যাইবে না” ।

সংসদসদস্যগণ বাজটে আলোচনার জন্য গড়ে ২০-২২ দনি সময় পান। এই স্বল্পসময়ে বপিুল সংখ্যক বাজটে সর্ম্পকতি পুস্তক-পুস্তকিাপাঠ কর,ে যুক্ত-ির্তক হাজরি করা তাদরে পক্ষে সম্ভব হয় না। তাছাড়া যে সমস্ত কাগজপত্র দওেয়া হয়, সখোনে অনকেক্ষত্রেইে প্রয়োজনীয় তথ্য থাকনো। কনেনা বাজটেে কী তথ্য থাকবে আর কী থাকবে না সটো এককভাবে ঠকি করনে র্অথমন্ত্রী। র্কাযবধিি র্অথমন্ত্রীকে এই একক ক্ষমতা প্রদান করছে।ে অথচঅনকে দশেরে সংসদই বলে দয়ে, র্অথমন্ত্রীকে কীকী তথ্যপ্রদান করতে হব।ে কন্তিু বাংলাদশেে বপিরীতটাই বরিাজ কর।ে

বাজটে নয়িে আলোচনা যতঅল্প সময়, তাতে সংসদসদস্যগণ সবকছিু আলোচনা করতে পারনে না। সজেন্য বগিতকয়কে দশকে পৃথবিীর বভিন্নি দশেে সংসদরে র্কাযক্রমে এই প্রক্রয়িা সংশোধন করা হয়ছে।ে বাংলাদশেরে সংসদীয় র্কাযপ্রণালীবধিতিে লখো আছ-ে বাজটে কোন স্ট্যান্ডংি কমটিতিে যাবে না।কন্তিু ব্রটিনেে বধিান করা হয়ছেে য,ে বাজটে আলোচনার প্রস্তুতি আগে স্ট্যান্ডংি কমটতিেি হতে হব। ভারতে এই বধিান আছ।ে অস্ট্রলেয়িা, কানাডাতওে আছে । কন্তিু বাংলাদশেে এখনো এই বধিান করা হয়ন।ি স্ট্যান্ডংি কমটিতিে আলোচনার সুযোগ থাকলে মূল সংসদে কম আলোচনা হরে ও ক্সতি হয়না। কনেনা স্ট্যান্ডংি কমটিগিুলি প্রয়োজনীয় ক্ষত্রেে অংশীজনদরে সাথে আলোচনা করে নতিে পার।ে তাদরে মতামত নতিে পার।ে এভাবইে বাজটেে অংশগ্রহণরে সুযোগ বাড়।ে

বাজটের বিকেন্দ্রেীকরণ
বাজটে বকিন্দ্রেীকরণরে র্পূবর্শত হলো, তৃণমূল র্পযায়ে স্বশাসতি স্থানীয় সরকার কাঠামো প্রতষ্ঠিা।বাংলাদশেরে সংবধিানে মানুষরে ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনকে অগ্রাধকিার দয়ো হয়ছে।ে সংবধিানে বলা আছে য,ে স্থানীয়র্পযায়ে (১) প্রশাসন ও র্কমচারীদরে র্কায, (২) জনশৃঙ্খলা রক্ষা, (৩) জনগণরে র্কায ও উন্নয়ন সর্ম্পকতি পরকিল্পনা ও বাস্তবায়নরে দায়ত্বি নর্বিাচতি প্রতষ্ঠিানরে উপর দতিে হব।ে বশিষে করে সংবধিানরে ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছদেে উন্নয়ন পরকিল্পনা ও রাজস্ব/কর কাঠামোর বকিন্দ্রেীকরণরে কথা সুস্পষ্টভাবে বলা হয়ছে।ে কন্তিু সে অনুযায়ী প্রতষ্ঠিানগুলকিে সাজানো হয়ন,ি রাজনতৈকি, প্রশাসনকি ও র্আথকি দকি দয়িওে ক্ষমতায়তি করা হয়ন।ির্কাযত স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলি কন্দ্রেীয় সরকাররে আজ্ঞাবহ প্রতষ্ঠিানে পরণিত হয়ছে।ে

এসব প্রতষ্ঠিানরে ক্ষুদ্রায়াতনরে নজিস্ব বাজটে রয়ছে।ে কনেনা তাদরে হাতে তমেন কোন গুরুত্বর্পূণ কাজ দয়ো হয়ন।িসুতরাং বাজটে বকিন্দ্রেীকরণরে প্রাথমকি পদক্ষপেই হলো এসবনর্বিাচতি প্রতষ্ঠিানরে হাতে কাজ দয়ো, তাদরেকে ক্ষমতায়তি করা। এসব প্রতষ্ঠিানরে ক্ষমতায়নরে র্অথই হলো কন্দ্রেীয় সরকাররে কাজ কময়িে আনা। যসেব কাজ স্থানীয় র্পযায়ে সমাধা করা সম্ভব সগেুলো স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানরে হতইে ন্যস্ত হওয়া উচতি।

পরকিল্পনা প্রণয়নরে প্রাথমকি কাজগুলি এসব প্রতষ্ঠিানরে হাতইে থাকা প্রয়োজন। পরকিল্পনা তৃণমূল র্পযায় থকেে ওপররে দকিে ওঠার প্রক্রয়িা চালু থাকলে স্থানীয় জনসাধারণ তাদরে সুচন্তিতি মতামত রাখার সুযোগ পায়। যে স্তরে যে পরকিল্পনা/কাজ সমাধা করা সম্ভব সে স্তরইে সে কাজরে বাজটে হতে পার।ে বাজটে বকিন্দ্রেীকরণরে এটাই প্রাথমকি ধাপ।

সুতরাং স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলকিে র্কাযকরী করা ছাড়া বাজটেরে বকিন্দ্রেীকরণ অসম্ভব।

উপসংহার ও প্রস্তাবনা
জাতীয় বাজটেরে গণতন্ত্রায়নরে ধারণা নতুন কছিু নয়। বাজটেরে মতো গুরুত্বর্পূণ রাজনতৈকি ও র্অথনতৈকি দললি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে জনগণরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণ নশ্চিতি করাই এই ধারণার মূল কথা।একমাত্র জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নর্বিাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া নাগরকিদরে পক্ষ থকেে রাষ্ট্রীয় সদ্ধিান্ত গ্রহণে অংশ নওেয়ার আর কোন সুযোগ নইে। বশ্বিব্যাপী গণতন্ত্ররে র্দীঘ অভযিাত্রায় দখো গছে,ে পরোক্ষ গণতন্ত্ররে চয়েে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্ররে দকিইে তার ঝোঁক বশে।ি সদ্ধিান্ত গ্রহণে নাগরকিদরে সরাসরি অংশগ্রহণরে সুযোগ সৃষ্টইি একবংিশ শতকরে গণতন্ত্ররে অন্যতম বশৈষ্ট্যি। পৃথবিীর বহুদশেে স্থানীয় র্পযায়ে এই ধরণরে গণতন্ত্ররে পরীক্ষা-নরিীক্ষা শুরু হয়ছে।ে বাজটে প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে জনগণরে সরাসরি অংশগ্রহণ নশ্চিতি করার মধ্য দয়িে এধরণরে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রর্চচার অবারতি সুযোগ রয়ছে।ে এ লক্ষ্যে ববিচেনা ও বর্তিকরে কয়কেটি সুপারশি পশে করা যতেে পার:ে

  • জাতীয় সংসদে বাজটে আলোচনার জন্য সময় বাড়ানো জন্য প্রয়োজনীয় আইন/বধিপ্রিণয়ন করা
  • সংসদীয় র্কাযপ্রণালীবধিতিে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে প্রস্তাবতি বাজটে সংম্লষ্টি সংসদীয় স্ট্যাডংি কমটিতিে প্ররেণ করা, যাতে স্ট্যান্ডংি কমটিগিুলি সময় নয়িে বস্তিারতি আলোচনা করে সংসদে তাদরে প্রস্তাব পশে করতপোর।ে
  • স্ট্যান্ডংি কমটিগিুলরি পক্ষ থকেে সংশ্লষ্টি জনগোষ্ঠীর সাথে বাজটে পশেরে আগে ও পরে আলোচনা করে মতামত সংগ্রহ করতে পারে
  • র্পযায়ক্রমে সংবধিানরে সংশ্লষ্টি ধারাগুলতিে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে বাজটে অনুমোদনরে ক্ষত্রেে সংসদরে/সংসদসদস্যগণরে র্কাযকরী ভূমকিা নশ্চিতিকরা
  • স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলকিে আরো বশেি ক্ষমতায়তি জাতীয় বাজটে প্রণয়ণ ও বাস্তবায়নে তাদরে অংশগ্রহণ নশ্চিতি করা
  • পরকিল্পনা মন্ত্রণালয়রে অধীনে বটম-আপ পরকিল্পনা প্রণয়নরে ক্ষত্রেে স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলকিে র্কাযকর ভাবে যুক্ত করা
  • যসেব কাজ স্থানীয় র্পযায়ে সমাধা করা সম্ভব সসেব কাজরে জন্য স্থানীয় সরকার প্রতষ্ঠিানগুলকিে দয়ত্বি দযো এবং সে অনুযায়ী বাজটে বরাদ্দ বা ট্যাক্স-শয়োরংি ব্যবস্থা প্রর্বতনকরা
  • ধীরধেীরে কন্দ্রেীয় সরকাররে ক্ষমতার পরধিি কময়িে এনে স্থানীয় সরকারগুলকিে র্কাযগত ও র্আথকিভাবে শক্তশিালী করে তোলা