সরকারের রাজস্ব আয়: প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার পর্যালোচনা ২০১৭

প্রেক্ষাপট
জাতীয় বাজেটের অর্থায়ন কিভাবে ও কোন উৎস থেকে হবে তা বাজেটের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। মূলত: বিভিন্ন প্রকার কর থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করা হলেও সরকারকে বিগত কয়েক বছরে আভ্যন্তরীণ ঋণ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে দেখা গিয়েছে। বলা বাহুল্য গত দেড় দশকে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের উপর নির্ভরতা আনুপাতিক হিসাবে যথেষ্ট কমেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র হিসেব অনুযায়ী ২০১৫ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু বার্ষিক আয় ১৪৬৬ ইউএস ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে সাড়ে ছয় শতাংশের ওপরে রয়েছে। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি শক্তির দিক। কিন্তু ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ ও উন্নয়নের ফসল সমভাবে তৃণমূল পর্যায়ে না পৌঁছানোর কারণে ধনী-দরিদ্রেও বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে। ধনী-দরিদ্রেও বৈষম্য হ্রাস করার জন্য প্রগতিশীল কর ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করের ওপর বেশী জোর দিতে হবে। অপরদিকে গরীবের ওপর করের বোঝা লাঘবের জন্য পরোক্ষ করের হার কমানোর কোন বিকল্প নেই।
সরকারের রাজস্ব আয় পরিস্থিতি
২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্র্ডের ্র লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। কর রাজস্ব থেকে মোট আয় হবে ২ লাখ ১০ হাজার ৪০২ কোটি টাকা এবং ৩২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা আদায় হবে রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত খাত থেকে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৯ শতাংশ।

চিত্র ১: রাজস্ব প্রাপ্তির তুলনামূলক চিত্র ( কোটি টাকায়)

উৎসঃবাজেটের সংক্ষিপ্তাসার, ২০১৬-১৭ওবাংলাদেশ অর্থনীতি সমীক্ষা, ২০১৬, ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩, ২০১২

উৎসঃ বাজেটের সংক্ষিপ্তাসার, ২০১৬-১৭ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমীক্ষা, ২০১৬, ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩, ২০১২

ওপরের চিত্র থেকে এটা স্পষ্ট যে, আমাদের রাজস্ব আয় মূলত: পরোক্ষ কর নির্ভর। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেখা যায়, মোট এনবিআর কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আয়কর থেকে প্রাপ্তি ৫১ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা, আর মূসক/ভ্যাট থেকে প্রাপ্তি ছিল ৫৩ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা। বিগত কয়েক বছরের বাস্তবতায় দেখা যায়, আয়কর থেকে আদায় সব সময়ই কম ছিল। ভ্যাট আদায় ছিল অপেক্ষাকৃত বেশি।অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত রাজস্বের পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে আবার আয়কর ছিল ৭১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা এবং মূসক/ভ্যাট ৭২ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা।চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭৭৪০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১০.২৬%। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ক কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ১৫০,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ৮.৮৭%। এনবিয়ার বহির্ভূত রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৫৪০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ০.৩১%।

পরোক্ষ কর নির্ভর এই রাজস্ব আয় কাঠামো প্রগতিশীল কর ব্যবস্থার পরিপন্থী। পরোক্ষ করের বোঝা চুড়ান্ত বিচারে সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হয়। আর এই ভোক্তা শ্রেণীর সর্ববৃহৎ অংশটি মুলত: সাধারণ নি¤œবিত্ত ও দরিদ্র মানুষ।বাংলাদেশের দারিদ্র পরিস্থিতি ও উন্নয়নের স্তর বিবেচনায় আমাদের কর ব্যবস্থার সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
চলতি বছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৭.২ শতাংশ। যদিও প্রবৃদ্ধির এই অনুমান নিয়ে বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আপত্তি তুলেছে। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমীক্ষা ২০১৬ অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.০৫ শতাংশে, যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার থেকে ০.৫% বেশি।

উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমীক্ষা, ২০১৬, ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩, ২০১২

২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭৭৪০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১০.২৬%। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করতিক কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ১৫০,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ৮.৮৭%। এনবিয়ার বহির্ভূত রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৫৪০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ০.৩১%। লক্ষণীয় বিষয় হলো, জিডিপি প্রবৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের রাজস্ব আদায় হার আশানুরূপ নয়।
বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের কর-জিডিপির হার
ইনডেক্স অফ ইকনোমিক ফ্রীডম (২০১৭) অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর জিডিপির হার ৮.৬ শতাংশ, ভারতে ১৬.৬ শতাংশ, শ্রীলংকায় ১০.৭ শতাংশ, পাকিস্তানে ১১ শতাংশ। এসব দেশে মোট রাজস্বে প্রত্যক্ষ করের অবদান গড়ে ৩৩-৩৫ শতাংশের মধ্যে। তবে উন্নত দেশগুলো সংগৃহীত কর রাজস্বের সিংহভাগই আসছে আয়কর খাত থেকে। সেখানে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ করের অবদান মাত্র খুবই কম, গড়ে ৩৫ শতাংশের মতো। অন্যদিকে সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বেশি ব্যয় করা দেশগুলোতে কর-জিডিপির অনুপাত অনেক বেশি, ডেনমার্কে এ হার ৫০.৯ শতাংশ। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাধারণত মধ্যম ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে গড় কর-জিডিপি অনুপাত যথাক্রমে ১৮ ও ১৪ শতাংশ। তবে সার্বিকভাবে বিশ্বব্যাপী গড় কর-জিডিপি অনুপাত ১৯ শতাংশ।

উৎসঃ ইনডেক্স অফ ইকনোমিক ফ্রীডম (২০১৭), ম্যাক্রো ইকনোমিক ডাটা

উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমীক্ষা, ২০১৬, ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩, ২০১২

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে কর-জিডিপি অনুপাত সবচেয়ে কম। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে না পারলে সামাজিক ও অবকাঠামো খাতে বর্ধিত ব্যয় সম্ভব হবে না। ব্যয় সংকুলানের জন্য অভ্রন্তরীন ও বৈদেশিক ঋণ অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হবে। এই অনুপাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করের নতুন নতুন ক্ষেত্র খুজে বের করা ও রাজস্ব বোর্ডের দক্ষতা-যোগ্যতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘অটোমেশনের’ বিকল্প নেই।

কালোটাকা, অবৈধ অর্থপাচার ও রাজস্ব ঘাটতি
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ভিত্তিক অর্থপাচার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগরিটি (জিএফআই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থ পাচারের দিক থেকে পৃথিবীর ১৪৯ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৬ তম। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৭ হাজার ৫৮৫ কোটি ডলার পাচার হয়ে গেছে। টাকার অংকে যার পরিমাণ ৬ লাখ ৬ হাজার ৮শ কোটি টাকার বেশি। এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের দুটি বাজেট তৈরি করা সম্ভব। চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। অর্থপাচার নিয়ে এর আগে জিএফআই- এর সর্বশেষ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। ঐ প্রতিবেদনে ২০০৪ থেকে ২০১৩- এই এক দশকের অর্থপাচারের চিত্র তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, ঐ দশকে বাংলাদেশ থেকে পাচারের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৫৮৭ কোটি ডলার বা প্রায় সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা। এই হিসেবে ২০০৫ থেকে ২০১৪ সময়ে বাংলাদেশ থেকে পাচারের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৪ সালে অর্থপাচারের পরিমাণ ৫৫ কোটি ডলার কমেছে। ঐ বছর বাংলাদেশ থেকে পাচারের পরিমাণ ছিল ৯১১ কোটি ডলার বা ৭২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ৯৬৬ কোটি ডলার বা ৭৭ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে যে অর্থপাচার হয়েছে তা ২০১৪-১৫ অর্থবছরের রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত করের প্রায় ৬০ শতাংশ। ঐ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ড ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা কর আহরণ করেছিল।

বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, দেশে ‘কালো টাকা’ পরিমাণ জিডিপি’র ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে ঘুষ-দুর্নীতি-অবৈধভাবে উপার্জিত অথেৃর পরিমানই সবচেয়ে বেশি। এই টাকারই একটা বড় অংশ বিদেশে পাচার হয়ে যায়। তাছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অবৈধ ‘আন্ডা ইনভয়েসিং’, ‘ওভার ইনভয়েসিং’ এর মাধ্যমেও বিদেশে টাকা পাচার করে থাকে।
অবৈথ অর্থ পাচার ঠেকানো গেলে, অবৈধ অর্থ উদ্ধার করা গেলে, অপ্রদর্শিত অর্থকে ‘সাদা’ করা গেলে- রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা যেত। বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাজেটে অর্থায়ন ও সরকারি নীতি নির্ধারকদের সামনে এই বিষয়গুলি এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হয়েছে।

  • সুপারিশমালা
  • আগামী বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখা ও বিদেশে টাকা পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ
  • অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ করতে হলে বা নতুন কর আইন প্রণয়নের আগে অবৈধ অর্থ পাচারের পথ বা সুযোগ বন্ধ করা
  • বাজেটের প্রতিটি আয়-খাত ও সংশি¬ষ্ট উপখাতসমূহকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে যৌক্তিক বিশে¬ষণ করতে হবে যাতে প্রতিটি খাত-উপখাতে সম্ভাব্য অধিক পরিমাণ আয় নির্দ্ধারণ করা যায় এবং এই প্রক্রিয়ায় সংশি¬ষ্ট ব্যক্তি-বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।
  • শুধু করারোপ নয়, করের বিপরীতে সেবার ধরণ ও পরিমান তথা ‘কর-সেবা’ অনুপাত নিয়ে যতেষ্ট গবেষণা হওয়া দরকার।
  • পরোক্ষ করের বোঝা মূলত: দরিদ্র-প্রান্তিক-নিন্মবিত্ত-নিন্ম মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের উপর তাদের আয়ের তুলনায় অধিক হারে চাপ প্রয়োগ করে ফলে তা দারিদ্র্য-বৈষম্য হ্রাস করে না। ফলে পরোক্ষ করের বিপরীতে প্রত্যক্ষ করকে উৎসাহিত করতে হবে।
  • বাংলাদেশে সম্পদশালী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সম্পত্তির ওপর আলাদাভাবে কোন কর নেই। সম্পত্তির পরিমান ও মূল্য নির্ধারণ একটি জটিল কাজ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই কাজ এখন জরুরি। প্রত্যক্ষ কর হিসেবে ‘সম্পত্তি কর’ আরোপ করা যেতে পারে।
  • প্রত্যক্ষ কর আদায় না হওয়ার প্রকৃত কারণগুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিৎ, যাতে প্রকৃতপক্ষেই পরোক্ষ কর নির্ভরতা কমিয়ে প্রত্যক্ষ কর নির্ভর বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
  • সরকারি আয় বৃদ্ধির নতুন এসব উৎস যেমনঃ বিদেশী নাগরিকদের উপর কর, সেবা থেকে প্রাপ্তি কর, সম্পদ কর, বিমান পরিবহন ও ভ্রমনকর, ভ্রমন কর, তার ও টেলিফোন বোর্ড, টেলিকম রেগুলেটরী কমিশন, এনার্জি রেগুরেটরী কমিশন, ইন্সুরেন্স রেগুলেটরী কমিশন, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বিআইডাবি¬উটিএ, সরকারি স্টেশনারী বিক্রয় এবং পৌর হোল্ডিং কর, ইত্যাদি আয় খাত ও সংশি¬ষ্ট উপখাতসমূহকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে যৌক্তিক বিশে¬ষণ করা উচিৎ যাতে প্রতিটি খাত-উপখাতে সম্ভাব্য অধিক পরিমাণ আয় নির্দ্ধারণ করা যায়।
  • দেশের কর অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে এমন কর চুক্তিকে জরুরী ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা এবং তদানুসারে জনগনের মধ্যে আলোচনা করার প্রয়াস নিতে হবে।
  • টেকসই উনড়বয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেরপেছনে শুধুমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই নয় বরং উনড়বয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্পর্কিত সকল মহলের উল্লেখযোগ্য কর্মপ্রয়াসের প্রয়োজন। অনেক সংস্থাই ইতোমধ্যে এস.ডি.জি’র লক্ষ্যগুলোর সাথে ঐক্যমত পোষণ করেছে; কিন্তু কথার বেসাতির চেয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ উত্তম। দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর উচিত টেকসই উনড়বয়ন লক্ষ্যের (এস.ডি.জি) সাথে একাত্মতার মানসে এখন থেকেই দায়িত্বশীল কর আচরণের জন্য চিন্তাধারা, কর্মপ্রয়াস ও আলোচনা শুরু করা।

তথ্যসুত্র

  • Ministry of finance (MOF), Government of the people’s republic of bangladesh, Available at: http://mof.gov.bd/en/index.php?option=com_content&view=article&id=344&Itemid=1, Access at 10 may, 2017.
  • Ministry of planning, Government of the people’s republic of bangladesh, Available at: http://www.plancomm.gov.bd/, Access at 10 may, 2017.
  • Global Financial Integrity (GFI), Illicit Financial Flows to and from Developing Countries: 2005-2014, Available at :http://www.gfintegrity.org/reports/, Access at 28 may, 2017
  • Index of Economic Freedom (2017), 2017 macro economic data, Available at :http://www.heritage.org/index/explore?view=by-variables, Access date: 22 may, 2017.
  • Rahman, R. I. 2012. Bangladesher Arthaneeti O Unnayan: Swadhinotar Por 40 Bachhar (in Bengali).
  • (2015a). Seventh five year plan FY2016 – FY2020: Accelerating growth, empowering citizens. Dhaka: General Economics Division (GED). GED. (2015c).
  • Millennium progress report: Bangladesh progress report 2014. Dhaka: General Economics Division (GED). Hussain, Z., Davies, S. and Alam, A. (2015).
  • GFI (2015), Illicit Financial Flows to and from Developing Countries: 2005-14, Washington, D.C
  • gywnZ,Aveyj gvj Ave`yj Òga¨g Av‡qi ‡`k nIqvB eo mvdj¨Ó ewbK evZ©v 12 Rvbyqvix,2016|
  • (2015b). Medium term budgetary framework 2015-16-2017-18. Bangladesh: Ministry of Finance (MoF).
  • (2011). Outline of modernization plan (2011-2016). Dhaka: National Board of Revenue (NBR).
  • Rahman, M., Khan, T.I. and Sadique, Z. (2014). Country study report Bangladesh theme 2: The impact of value-added tax (VAT) on enterprise development. Islamabad: Governance Institutes Network International.
  • Moazzem, K.G., Basak, K.K., and Ahmed, M.U. (2016, March 24). National budget and decentralised development of SMEs: A case study of SME clusters in Bogra. Paper presented at the dialogue on development of small and medium enterprises of the Bogra region challenges and initiatives, Bogra. Retrieved from http://cpd.org.bd/wp‐content/uploads/2016/03/A‐Case‐Study‐of‐SME‐Clusters‐in‐Bogra.pdf