জনঅংশগ্রহণমূলক ছায়া বাজেট সংসদ ২০১৯

জাতীয় প্রেক্ষাপট
জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০ বিভিন্ন কারণেই গুরুত্বপূর্ন। জাতীয় নির্বাচন পরর্বতী এই বছরে সরকারের সামনে অনকে চ্যালেঞ্জ। বশিষেত: চ্যালেঞ্জিং সার্বজনীন প্রবৃদ্ধি অর্জনে কৌশল নির্ধারণ এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্য হ্রাসে যথাযথ রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় পরিসেবায় বাজেট বৃদ্ধির এজেন্ডা একটি জনপ্রিয় দাবি। উল্লেখ্য প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের আকার আনুক্রমিক হারে বড় হচ্ছে। কিন্তু ব্যয়ের গুণগত মান ও বাজেট যথাযথ ব্যবহার এখনো একটা বড় চ্যালঞ্জে।

জাতীয় নির্বাচনের পরর্বতী বছর হওয়ায় ২০১৯-২০ বাজেটের রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য ও গুনগত মান নাগরিক সমাজের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এদিকে জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্তরে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার থাকার পরও স্থানীয় সরকারে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এখনো সীমিত কিছূ প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জনগনের ক্ষমতায়ন তথা প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে হলে জেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার কাঠামোকে কার্যকরী করা এখন সময়ের দাবি।

এ প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন, জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস, একশনএইড বাংলাদশে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি যৌথভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, পেশা ও বৈশিষ্ট্যের মানুষের অংশগ্রহণে ৫ম বারের মতো ‘জন-বাজেট সংসদ’ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

জন-বাজেট সংসদের উদ্দেশ্য
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, নারী, দলিত, প্রতিবন্ধী, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন বাজেটসহ জাতীয় পরিকল্পনায় অংশভাগিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও বাজেটের বিকেন্দ্রীকরণ কাঠামো এবং এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনের বিষয়গুলি বিস্তারিত পরিসরে আলোচনা করা। নীতিনির্ধারকবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রতিশ্রুতি আদায় করা এই ছায়া সংসদের অন্যতম উদ্দেশ্য।

কাঙ্ক্ষিত ফলাফল
ঢাকা ঘোষণা ২০১৯ এর মাধ্যমে জনসাধারণের পরিকল্পনা ও বাজেট বিষয়ক প্রস্তাবনা ও দাবিসমূহ সরকাররে সংলষ্টি মন্ত্রণালয়/ বভিাগ ও মাননীয় সংসদসদস্যবৃন্দের কাছে প্রদান করা হবে।

সংসদের অংশগ্রহণকারী
ঢাকাসহ সারাদেশের ৫০টির অধিক জেলা থেকে প্রায় ৬০০ অংশগ্রহণকারী জন-বাজেট সংসদে যোগ দেবেন। সাধারণ পেশাজীবী, শিক্ষার্থী-তরুণ, নারী, দলিত, আদিবাসী, প্রতিবন্ধীসহ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জনগোষ্ঠী, গবেষক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, ট্রেড ইউনিয়নকর্মী এখানে উপস্থিত থাকবেন ও মতামত প্রদান করবেন।

ফরমেট/ সম্ভাব্য অনুষ্ঠান বিবরণী
উদ্বোধনী, সমাপনীসহ ভিন্ন ভিন্ন ফরমেটের ইন্টারঅ্যাক্টিভ কর্ম-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

  • উদ্বোধনী ও প্রথম অধিবেশন (জাতীয় বাজেট, জনঅংশগ্রহণ ও বিকেন্দ্রীকরণ):
  • সামাজিক উন্নয়ন ও জাতীয় বাজেট (স্বাস্থ্য, শিক্ষা)
  • কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট
  • অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট (দলিত, আদিবাসী, জেন্ডার, প্রতিবন্ধীতা)
  • সমাপনী অধিবেশন