বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া: জাতীয় বাজেট ২০২০-২১: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অবস্থান ২০২০

“জাতীয় বাজেট ২০২০-২১: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অবস্থান “ বিষয়ে বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাতে ১৪ জুন, ২০২০ আলবার্ট মোল্লা কর্তৃক উপস্থাপিত

মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আ হ ম মুস্তফা কামাল গত ১১ জুন, ২০২০ বৃহস্পতিবার ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন। বাজেটে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দের অবস্থা এবং সুপারিশ পুনর্বিবেচনার জন্য অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন, সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ডিজএবিলিটি রাইটস ফান্ড এবং ৫টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন- ডিসিএফ, এনসিডিডাব্লিউ, সীতাকুন্ড ফেডারেশন, টার্নিং পয়েন্ট ও ডাব্লিউডিডিএফ  এর পক্ষে এ প্রতিক্রিয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

 

এক নজরে জাতীয় বাজেট ২০২০২১ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ[1]

সামাজিক নিরাপত্তা উপকারভোগীর সংখ্যা (লক্ষে) বাজেট (কোটি টাকায়)
বাজেট

(২০১৯-২০)

সংশোধিত (২০১৯-২০) বাজেট

(২০২০২১)

বাজেট (২০১৯-২০) সংশোধিত (২০১৯-২০) বাজেট

(২০২০২১)

অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা ১৫.৪৫ ১৮.০০ ১৮.০০ ১৩৯০.৫০ ১৪২৮.৭৫ ১৬২০.০০
প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র ৩.৭৬ ৩.৪৭ ৩.৯৯ ৬৫.০০ ৬০.০০ ৬৮.৯০
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ১.০০ ১.০০ ১.০০ ৯৫.৬৪ ৯৫.৬৪ ৯৫.৬৪
প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের জন্য মঞ্জরী ০.৩৫ ০.৩৩ .৩৭ ২৮.০০ ২৬.০০ ২৯.৬৮
দগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন তহবিল ০.৩৩ ০.৩৩ .৩৩ ১.৬৫ ১.৬৫ .৮২
নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট ০.০০ ০.০০ .০০ ২৭.৫০ ২৫.৩০ ২৯.১৫
শারীরিক প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট ০.০০ ০.০০ .০০ ১৫.০০ ১৭.৫০ ১৫.০০
প্রতিবন্ধী, বিধবা, এতিম (দুস্থ, অসহায়, অনগ্রসর) ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন ০.০০ ০.০০ .০০ ০.০০ ১৪.১৮ ৪৫.৯২
সুবিধাবঞ্চিত,  দরিদ্র , প্রবীন, এতিম এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের  জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থান উন্নয়ন ও  পুনর্বাসন ০.০৪ ০.০৪ .০২ ১৩.২২ ১৮.৬০ .৯৬
বাংলাদেশ অটিস্টিক একাডেমী স্থাপন ০.০০ ০.০০ .০০ ৬০.০০ ১২.০০ ১২.০০

 

বাজেট বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও সুবিধা:

  • প্রতিবন্ধী, বিধবা, এতিম (দুস্থ, অসহায়, অনগ্রসর) ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন এর জন্য ৪৫ কোটি ৯২ লক্ষ টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • সুবিধাবঞ্চিত, দরিদ্র, প্রবীন, এতিম এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থান উন্নয়ন ও পুনর্বাসন এর জন্য ৪ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • সর্বশেষ প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ অনুযায়ি ২ লক্ষ ৫৫ হাজার জন নতুন ভাতাভোগী যুক্ত করে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগীর সংখ্যা ১৮ লক্ষ জনে বৃদ্ধি করা হবে এবং এ বাবদ ২২৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 বাজেট সম্পর্কে কিছু বিশ্লেষন

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৫ হাজার বৃদ্দি করায় জন্য মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল

বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ মূলত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় রাখা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর খাতের বাজেট মোট বাজেটের ১৬.৮৩% এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বাজেট সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর খাতের বাজেটের মাত্র ১.৯৬%, (গত বছর ২.১৯%) যা মোট বাজেটের মাত্র 0.৩৩% (গত বছর ০.৩১%)। সুতরাং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাহিদার তুলনায় এ বাজেট খুবই অপ্রতুল।

 

একটি ভাতা wbf©i বাজেট  

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ২০২০-২১‘অর্থ বছরের বরাদ্দের অর্থ গতানুগতিক ভাতা ও কিছু সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এবারের বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা বরাদ্দের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মোট বরাদ্দের ৮৬.৫৩%। ভাতা নির্ভর বাজেট প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উৎপাদনমূখী উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করবে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোভি১৯ এর কোন প্রতিফলন পরিলক্ষিত হয়নি

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতি বাজেটে কম গুরুত্বারোপ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিলেও বাজেটে এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের অভাব রয়েছে। দেশে ৯০% প্রতিবন্ধী শিশু স্কুলে ভর্তি হওয়া থেকে বঞ্চিত হলেও এবছর উপকারভোগীর সংখ্যা ও বাজেট পৃর্বের মত রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিতে শিক্ষা উপবৃদ্দির উপকারভোগীর সংখ্যা দ্বিগুন করা উচিত।

 

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বাজেট বরাদ্দ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ

 

বাজেটে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বরাদ্দ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দৃশ্যমান হয়।কিন্তু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য তথা সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি শুধুমাত্র সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সম্পাদিত হতে পারে না। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ধারণায় মন্ত্রণালয় ভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন ছিল।

 

নীতি নির্ধারকদের কল্যাণমূখী ধারণা

২০২০-২১ বাজেট পর্যালোচনা করলে স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি মেডিকেল মডেল ধারণা থেকে এখনও সামাজিক মডেলে উত্তরণ ঘটেনি। তাই যদিও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ সনদ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ এর মত শক্তিশালী আইনী কাঠামো আমাদের সামনে রয়েছে তথাপিও উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন ও অধিকার বিষয়টির সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি হয়নি।

 

কোভিড মোকাবিলায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অন্তুর্ভুক্তিমূলকজাতীয় বাজেট ২০২০২০২১করণে পুনর্বিবেচনার জন্য কিছু দাবি

১. সকল অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিবারের জন্য খাদ্য নিরাপত্তার আওতায় আগামী ৯ থেকে ১২ মাসের খাদ্য রেশনের ব্যবস্থা করা;

২. কোভিড-১৯ মোকাবেলায় যেকোন জরুরী চাহিদা মেটানোর জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বরাদ্দের ৫% প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য রাখার প্রস্তাব করছি।

৩. জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা জনপ্রতি মাসিক ন্যূনতম ১৫০০ টাকায় উন্নীত করা;

৪. প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সঠিক সংখ্যা নিরূপণে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা;

৫. করোনায় যেসকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি চাকরি হারাবে এবং যারা বেকার অবস্থায় রয়েছে তাদের জন্য বেকার ভাতার ব্যবস্থা করা;

৬. কর্মরত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য জাতীয় পেনশন স্কীম চালু করা;

৭. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কার্যক্রমে তাদের অগ্রাধিকার প্রদানে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রাখা;

৮. গুরুতর প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যেমন- সেরিব্রাল পলসি, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তি, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, ডাউন সিনড্রোম, মেরুরজ্জুতে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি যাদের সার্বক্ষণিক যতের প্রয়োজন হয় সেসকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কেয়ারগিভারের জন্য মাসিক ভিত্তিতে ২,৫০০ টাকা ভাতার ব্যবস্থা করা;

৯. সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য বিশেষ বীমা কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ করা;

১০. প্রতিবন্ধী, বিধবা, এতিম (দুস্থ, অসহায়, অনগ্রসর) ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন এর জন্য ৪৫ কোটি ৯২ লক্ষ টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বরাদ্দ সুনির্দিষ্ট করা উচিত।

১১. অনলাইনভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী (Accessible) করতে বাজেট বরাদ্দ রাখা;

১২. সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ছাড়াও কিছু মন্ত্রণালয় যেমন- দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, মহিলা ও শিশু, অর্থ বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী রয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আলাদা বরাদ্দ ছাড়াই এই বরাদ্দকৃত বাজেটের মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশনা প্রদান করা। এক্ষেত্রে বেকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে;

১৩. কোভিড এর কারণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনরায় কর্মে যুক্ত করতে নতুন ধরনের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে অ্যাসেসটিভ টেকনোলজি ফান্ড, ইনফরমেশন অ্যাকসেসিবিলিটি ফান্ড গঠনে বাজেট বরাদ্দ রাখা;

১৪. সকল আশ্রয়কেন্দ্র, ভৌত অবকাঠামো, বাস স্ট্যান্ড, নৌ-টার্মিনাল, ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম সহ সকল গণসেবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী করা বর্তমান বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যেই সম্ভব। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

১৫. যেহেতু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেক্ষেত্রে সাধারণ স্বাস্থ্য সেবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপযোগী ও প্রবেশগম্য করা; সেইসাথে প্রতিবন্ধী নারীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে বরাদ্দ রাখা;

১৬. কোভিড মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ব্যাপক সচেতনতার প্রয়োজন যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন সফলতার সাথে সম্পাদন করতে সক্ষম। এক্ষেত্রে এ ধরনের সংগঠনের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা;

১৭. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বিশেষ ভাবে নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, কোভিড এর মধ্যেও প্রায়শই এধরনের ঘটনা ঘটছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার নারীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা।

পরিশেষে বলতে চাই, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তকরণে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বাজেটে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির চাহিদার প্রতিফলন ঘটাতে হলে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা দরকার। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণের দৃষ্টিতে না দেখে অধিকারের জায়গা থেকে দেখতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যথাযথভাবে ব্যয় করা। আজকের এ প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় এনে চলতি অধিবেশনেই বাজেট পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করছি।

[1]সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাজেট ২০২০-২১