জনঅংশগ্রহণমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত বাজেটের রূপরেখা: একটি খসড়া প্রস্তাব ২০১৯

.      ভূমিকা

 .          জাতীয় বাজেট, স্থানীয় সরকার বাংলাদেশ

বাংলাদেশের পরিকল্পনা ও বাজেট কাঠামো অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। অতি-কেন্দ্রীভূত এ প্রক্রিয়ায় সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে কোন সামাজিক-অর্থনৈতিক নীতিমালা, কর্মসূচি প্রণয়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মৌল ভিত্তি। কিন্তু বাংলাদেশে করারোপের ভেতর দিয়ে সরকারের আয় নির্ধারণ,  ‍উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অগ্রাধিকার নির্ধারণ, অর্থ বরাদ্দ (বাজেট) এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সাধারণ নাগরিকদের অংগ্রহণের মাত্রা অত্যন্ত সীমিত বা কোন কোন ক্ষেত্রে নেই বললেই চলে। এই বিবেচনায় বিদ্যমান বাজেট প্রক্রিয়ায় মারাত্মক গণতান্ত্রিক ঘাটতি (democratic deficit) পরিলক্ষিত হয়।

বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে এককেন্দ্রীক সরকার কাঠামোর পাশাপাশি ৫ ধরণের/ স্তরের স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিই কার্যত গণতন্ত্রের ভিত্তি। এগুলি নাগরিকদের সবচেয়ে কাছের সরকার। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলি আজো রাজনৈতিক,প্রশাসনিক আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষমতায়িত নয়। স্থানীয় সংসদসদস্য ও প্রশাসন-আমলাতন্ত্রের খবরদারির কারণে এই প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃত্বও খর্ব হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলি কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণেই প্রতিষ্ঠানগুলি অংশগ্রহণমূলক প্রকৃত গণতন্ত্র ও উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার বিপরীতে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্প্রসারিত হস্ত (extended arm) হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে এসব মৌলিক বুনিয়াদি প্রতিষ্ঠানগুলির কোন ভূমিকা নেই। ফলে বৈষম্য নিরসন, দরিদ্র্য দূরীকরণ সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। এটা সুবিদিত যে, একটি অতি-কেন্দ্রীভূত শাসন কাঠামোর মাধ্যমে ১৬ কোটি মানুষের উন্নয়ন-অগ্রগমন সম্ভব নয়।

বিগত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আমাদের  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলির হাতে গড়ে মোট উন্নয়ন বাজেটের মাত্র ২ শতাংশ পৌছেছে।মোট বাজেটের মাত্রগড়ে ৫-৬ শতাংশ ব্যয় হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে। অথচ ভারতের বেশ কিছু প্রদেশে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিতে উন্নয়ন বরাদ্দের হার ২০ শতাংশের বেশি, ফিলিপাইনে প্রায় ৪০%, ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে সুইজারল্যান্ডে এই হার প্রায় ৬০%।

বিদ্যমান ব্যবস্থার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • অতি-কেন্দ্রীভূত
  • মন্ত্রণালয় ও প্রশাসননির্ভর
  • উন্নয়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়নির্ভর; ‘টপ-ডাউন’
  • বাজেট ও জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পৃক্ত নয়
  • জাতীয় সংসদসদস্যগণ বাজেটের অনুমোদন দিয়ে থাকেন তবে তাদের সক্ষমতা-কর্তৃত্বও সীমিত
  • সর্বতভাবে জন-অংশগ্রহণহীন, কারণ নাগরিকদের মতামত দেবার কোন সুযোগ নেই
  • নাগরিকগণ জানে না তাদের স্ব স্ব এলাকা থেকে কতো টাকা কর আকারে তোলা হচ্ছে
  • নাগরিকগণ জানে না তার স্ব স্ব এলাকায় কোন কোন কাজে মোট কতো টাকা ব্যয় করা হচ্ছে

.          অংশগ্রহণমূলক বিকেন্দ্রীভূত বাজেট কেন দরকার?

বাজেট শুধু খাত বা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক টাকা-পয়সার বরাদ্দ নয়।সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন দর্শন, নীতিমালা ওকর্মপরিকল্পনার বিপরীতে অর্থ সংগ্রহ ও বরাদ্দ প্রদান। সরকারের আয় ও ব্যয় নাগরিক জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন-অগ্রগমনের ধারাকে নানা মাত্রায় প্রভাবিত করে। কিন্তু সরকারের এ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকান্ডে নাগরিক কিংবা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তেমন কোন ভূমিকা নেই।

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি। এজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়ার সাথে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে নাগরিকদের মতামত নিয়ে জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। করসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরো বেশি ক্ষমতা দিতে হবে। নাগরিকদের জীবন জীবীকা ও প্রয়োজনের নিরিখে বহুবিধ কর্মকান্ড বাস্তবায়নের দায়িত্ব স্থানীয় পর্যায়ে থাকতে হবে।

উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, বৈষম্য নিরসন, দরিদ্র্য দূরীকরণ, সুষম উন্নয়ন ও জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়নের জন্যঅংশগ্রহণমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত বাজেট প্রক্রিয়া চালু করা দরকার।

.         ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে ‘জেলা বাজেট’ প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। ইশতেহারে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, “সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে জনসংখ্যা ও ভৌগলিক অবস্থানকে বিবেচনায় নিয়ে জেলাভিত্তিক বাজেট প্রণয়ন করা হবে”। অতি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে (১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) সেই প্রতিশ্রুতিকেই আবার স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, “আগামীতে জেলাভিত্তিক ধারণা নিয়ে মূল বাজেট প্রণয়ন করা হবে।” একই সাথে তিনি ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরো শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন।স্মরণ করা যেতে পারে, কয়েক বছর আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেলাভিত্তিক বাজেট প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকারের কাজের ধরণ কেমন হবে- সে সম্পর্কেও দিক নির্দেশনা হাজির করেছিলেন। ২০১৩ সালে এক আলোচনায় তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “কেন্দ্রীয়ভাবে সরকার শুধু দেশের উন্নয়নের মূল পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন সবকিছু মনিটরিং করবে আর তা বাস্তবায়ন করা হবে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে কোন জেলায় এবং জেলাধীন সকল উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম পর্যন্ত কী কী সমস্যা আছে, কী কী উন্নয়ন আগে করতে হবে তা জেনে নিয়ে জেলা ভিত্তিক বাজেট প্রণয়ন করা হবে। স্থানীয় সরকারকে আরো শক্তিশালী করা হবে। এমনভাবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে যাতে প্রতিটি এলাকার মানুষ তার সুফল ভোগ করতে পারে” (“আবার ক্ষমতায় এলে জেলা ভিত্তিক বাজেট: স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী”, দৈনিক ইত্তেফাক, ২০ অক্টোবর ২০১৩)।

উল্লেখ্য যে, সরকার তার গত মেয়াদে দু’বার (২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থ বছর) ‘জেলাভিত্তিক বাজেট’ প্রণয়ন করেছিল। সাধারণ নাগরিকগণ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিল। গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের পক্ষ থেকেও আমরা ২০০৮-০৯ সাল থেকে জেলাভিত্তিক ও জনঅংশগ্রহণমূলক বাজেটের দাবি করে আসছিলাম। ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ সালের জেলাভিত্তিক বাজেটে যদিও কোন জনঅংশগ্রহণ ছিল না তথাপি কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয়ের একটি জেলাভিত্তিক খতিয়ানের গুরুত্বও কম নয়। এর ফলে জেলার একজন নাগরিক/করদাতা জানতে পারছেন তার জেলায় মোট কতো টাকা কোন কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে। জেলাভিত্তিক বাজেটের বিপরীতে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের পক্ষ থেকে তৃণমূল থেকে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে ‘জেলাবাজেট’ প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছিল।

.অংশগ্রহণমূলক বিকেন্দ্রীভূত বাজেট প্রণয়ন প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিগত এক দশক ধরে “অংশগ্রহণমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত বাজেট” প্রণয়নের দাবি জানানো হচ্ছে।তবে আমরাএবারই প্রথম এ ধরণের বাজেটের রূপরেখা কেমন হতে পারে তার একটি খসড়া উপস্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন স্তরের নাগরিক সমাজ ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে এ খসড়া রূপরেখা প্রণয়ন করা হবে। তিনটি ধাপে এ কাজ সমাধা করা হচ্ছে।

১.            জেলা পর্যায়ে নাগরিক সমাজ ও ৫টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ (জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের আয় ও কাজের ভাগাভাগি)

২.             সেক্টর/খাতভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে কেন্দ্র-জেলার কাজের ভাগাভাগি সংক্রান্ত মতামত সংগ্রহ

৩.            বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে কেন্দ্র-জেলার কাজের ভাগাভাগি ও প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মতামত সংগ্রহ

ইতিমধ্যেই আমরা প্রথম ধাপের কাজ প্রাথমিকভাবে সম্পন্ন করেছি। রাজশাহী জেলাকে পাইলট এলাকা ধরে এই জেলার সিটি কর্পোপেরশন, জেলা পরিষদ ও পবা উপজেলার অধীন উপজেলা পরিষদ, ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সম্পন্ন করেছি।

প্রাথমিকভাবে সেক্টর/খাত ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের সাথে মতবিনিময় শুরু হয়েছে।

কেন্দ্র-জেলার কাজের ভাগাভাগি, প্রশাসনিক পুর্নবিন্যাসসহ অন্যান্য ইস্যূতে একাধিক আলোচনা/মতবিনিময় সভার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আজকের মতবিনিময় সভা সেই উদ্যোগেরই অংশ।

আমরা আশা করছি আগামি এপ্রিল মাসের মধ্যে এসব মতামত সংগ্রহ শেষ করে আমাদের প্রত্যাশিত ‘অংশগ্রহণমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত বাজেট’র একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করতে সক্ষম হবো যা আগামি এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘জন-বাজেট সংসদে’-এ এই রূপরেখা হাজির করা হবে।

আজকের আলোচনার জন্য যে প্রাথমিক রূপরেখা হাজির করা হচ্ছে তা মূলত: স্থানীয় পর্যায়ে (রাজশাহী জেলা) সংগৃহীত মতামতের ভিত্তিতে তৈরি

.     অংশগ্রহণমূলক বিকেন্দ্রীভূত বাজেট: একটি খসড়া রূপরেখা

.         বাজেটের মূল কাঠামো

.         আয়ের উৎস আহরণের অধিকার সংক্রান্ত বিতর্ক

  • অংশীজনদের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তর মতভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।
  • একদল মনে করেন, সকল ধরণের কর ও কর-বর্হিভূত উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের দয়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকা উচিত। স্থানীয় সরকারগুলির এই বাড়তি চাপ নেবার কোন দরকার নেই।
  • অন্য একদল মনে করেন, বর্তমানে স্থানীয় সরকার যে সকল উৎস থেকে আয় করছে সেগুলির বাইরে আরো উৎস তাদের হাতে দিয়ে দেয়া উচিত। স্থানীয় পর্যায়ে মোট আয়ের কমপক্ষে ৩০-৩৫ শতাংশ স্থানীয় সরকারের আওতাভূক্ত হয়।
  • আয়ের উৎস সংক্রান্ত বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনে যে ভিন্ন ভিন্ন ধারা সমূহ রয়েছে সেগুলিকে একটি সুসমন্বিত ধারায় নিয়ে আসা দরকার বলে অনেকেই মত দিয়েছেন।
  • কেউ কেউ জোরালো যুক্তি দিয়েছেন যে, আয়ের অর্থ কোন প্রতিষ্ঠান তুলছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং ট্যাক্স-শেয়ারিং, কর বা আয় ভাগাভাগিটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে মোট আয়ের ৩০-৩৫ শতাংশ স্থানীয় সরকারের তহবিলে থাকতে হবে এবং এই তহবিলের ওপর স্থানীয় সরকারের পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকতে হবে।

৩.৩        স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে কাজের বিভাজন

.         জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় সরকারের সক্রিয় অংশগ্রহণ

  • জাতীয় পরিকল্পনাসমূহ (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ইত্যাদি) প্রণয়নের মূল দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
  • এসব পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তুত হবে তৃণমূল পর্যায়ে (স্থানীয় সরকার)। সরকারি বিভিন্ন বিভাগসমূহ স্থানীয় সরকারকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে।
  • এসব খসড়া প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে যাবার পর কেন্দ্রীয় অন্যান্য পরিকল্পনার সাথে মিলিয়ে একটি জাতীয় পরিকল্পনা প্রণীত হবে।

 

.         কর্মসংস্থান পরিকল্পনা (রাজশাহী জেলা)

কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য, রাজশাহী জেলার উন্নয়ন প্রকল্প

  • এগ্রো প্রসেসিং জোন/কৃষিভিত্তিক শিল্প
  • রেশম শিল্প
  • অর্থনৈতিক অঞ্চল

 

.      সামগ্রিক বিতর্ক বিবেচনার জন্য

  • সমগ্র দেশের জন্য সমন্বিত বাজেট হতে হবে। এই বাজেটের দুটো মূল অংশ থাকবে: ১. জেলার আয়-ব্যয় ও ২. কেন্দ্রীয় সরকারের আয়-ব্যয়। জাতীয় বাজেট হবে মূলত: জেলা বাজেট ও কেন্দ্রীয় বাজেটের যোগফল।
  • সবার আগে জেলা ও কেন্দ্রের ‘আয় ও কাজের বিভাজন রূপরেখা ঠিক করতে হবে। কাজের বিভাজন ঠিক করা গেলে আয়ের বিভাজন ঠিক করা কঠিন কাজ হবে না।
  • কোন কাজগুলি জেলার হাতে ন্যস্ত হবে সেগুলি ঠিক করতে হবে সবার আগে। যেহেতু জেলা পরিষদ গঠিত হয়েছে এবং এই পরিষদে সকল স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধরা রয়েছেন, ফলে জেলার মধ্যে কোন কাজগুলি কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সম্পন্ন করবে সেটাও ঠিক করা যাবে।
  • জেলার কাজগুলিকে চিহ্নিত করার পরই ঠিক হয়ে যাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কোন কোন কাজের দায়্ত্বি অর্পিত হচ্ছে।
  • বর্তমান কাঠামোতে বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় হয়, তার সিংহভাগই সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় সরকার। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে আয়ের যে উৎসগুলি ছেড়ে দেয়া হয়েছে তা থেকে যৎসামান্য আয় হয়। আমাদের প্রস্তাব হলো বিদ্যমান সকল উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। এই উত্তোলিত অর্থ কাজের পরিমানের ওপর ভিত্তি করে জেলার সাথে ভাগাভাগি হবে। অর্থাৎ এই শেয়ারিং বা ভাগভাগির মূল ভিত্তি হবে- ওয়ার্ক লোড বা কাজের চাপ বা পরিমাণ।
  • পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে হবে। বিদ্যমান ব্যবস্থায় জাতীয় পরিকল্পনা (এডিপি, পঞ্চবার্ষিক, প্রেক্ষিত ইত্যাদি) প্রণয়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কোন ভূমিকা নেই। জাতীয় পরিকল্পনা প্রস্তুত হয় মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলির মাধ্যমে, অর্থাৎ সরকারি আমলাদের মাধ্যমে। মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলি থেকে স্থানীয় পর্যায়ের খসড়া পরিকল্পনা উঠে আসে; সেগুলি মন্ত্রণালয় বা বিভাগে এসে চুড়ান্ত রূপ পায়। ফলে এই পরিকল্পনা প্রণয়নে সাধারণ নাগরিক কিংবা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের (এমন কি এমপি) কোন ভূমিকা নেই। এ কারণেই পরিকল্পনা প্রণয়নে স্থানীয় সরকারগুলিকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।
  • জেলা পর্যায়ে জেলার জন্য উপযোগী ও প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প চিহ্নিত করা হবে। এসব প্রকল্পের অর্থায়ন মূলত জেলা বাজেট থেকে করা হবে। তবে অর্থায়নে ঘাটতি দেখা দিয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা যাবে। যে সব প্রকল্পে জেলা ও কেন্দ্র যুক্ত হবে- সেগুলিকে যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
  • যেসব কাজ স্থানীয় সরকার এর হাতে থাকবে সেসব কাজের সাথে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কাজের জবাবদিহিতা সম্পূর্ণভাবে জেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত থাকবে। কেবলমাত্র বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ছাড়া অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের নিয়োগ-বদলি-বেতন-ভাতা ইত্যাদি জেলা পর্যায়ে সম্পন্ন হবে।
  • ঋণ-অনুদান ব্যতীত বিভিন্ন উৎস থেকে আয়সমূহ একটি নির্দিষ্ট হারে (৩৫:৬৫) স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে ভাগাভাগি হবে
  • জনসম্পৃক্ত বেশিরভাগ কাজই স্থানীয় সরকারের হাতে ন্যাস্ত থাকবে
  • জেলা-ভিত্তিক ‘জিডিপি’ প্রণীত হবে, তাতে বুঝা যাবে কোন জেলায় কী মাত্রায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে এবং এসব জেলা থেকে কতো আয় (করসহ) হচ্ছে সেটাও তুলনা করা যাবে। এর ফলে অর্থনৈতিক বিচারে কোন জেলা কতোটা পিছিয়ে বা এগিয়ে আছে সেটা বুঝা যাবে। এই তথ্য-উপাত্তের ফলে সুষম উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নও সহজতর হবে।
  • বিদ্যমান ভিন্ন ভিন্ন স্থানীয় সরকার আইনসমূহকে সমন্বিত করে একটিমাত্র আইনের অধীনে আনতে হবে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন স্তরের দায়-দায়িত্ব সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকবে যেখানে কোন ‘ওভারল্যাপিং’ বা দ্বন্ধ থাকবে না।
  • একটি স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করতে হবে।
  • যেহেতু অংশগ্রহণমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত এই ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকার বড় ধরণের দায়িত্ব পালন করবে তাই প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ‘স্থানীয় সরকার ক্যাডার’ নামে একটি স্বতন্ত্র ক্যাডার সার্ভিস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

সংযুক্তি:

বিদ্যমান ব্যবস্থায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কর্মবিভাজন তালিকা

প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

১.             সচিবালয়

  • বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট
  • শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট

২.             প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

  • বিভাগীয় অফিস
  • জেলা অফিস + পিটিআই
  • উপজেলা অফিস + উপজেলা রিসোর্স সেন্টার

৩.            উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো

  • জেলা অফিস

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

.             মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

  • চিবালয়
  • বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্সণ ইন্সিটিটিউট+ সরকারি টিচার ট্রনিং কলেজ)
    • আঞ্চলিক অফিস
    • জেলা অফিস
    • উপজেলা অফিস
  • জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)
  • শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর
  • বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো(ব্যানবেইস )
  • পরির্দশন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর
  • জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)
  • বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)
  • বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশন (বিএনসিইউ)
  • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
  • বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড
  • বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক- কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্ট
  • উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন

.             কারিগরি মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ

  • সচিবালয়
  • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
  • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর
  • বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বিএমটিটিআই)
  • বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড
  • জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমী (নেকটার)
  • বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়

.     স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

  • সচিবালয়
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
  • ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর
  • নাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর
  • স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

.     স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিবার কল্যাণ বিভাগ

  • সবিচালয়
  • সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশন
  • চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ
  • পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
  • জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সিটিটিউট (নিপোর্ট)

 কৃষি মন্ত্রণালয়

কৃষি মন্ত্রণালয়ের দপ্তর/সংস্থা

  • সচিবালয়
  • কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)
  • বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
  • বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)
  • বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট (বারি)
  • বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট (ব্রি)
  • বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)
  • বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই)
  • বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)
  • তুলা উন্নয়ন বোর্ড (সিডিবি)
  • কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)
  • জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
  • কৃষি বিপণন অধিদপ্তর (ড্যাম)
  • বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (এসসিএ)
  • বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)
  • বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)
  • মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)
  • হর্টিকালচার এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (হর্টেক্স ফাউন্ডেশন)

 মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

  • সচিবালয়
  • প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
  • মৎস্য অধিদপ্তর
  • বিএলআরআই
  • বিএফআরআই
  • মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর
  • বিএফডিসি
  • মেরিন ফিসারিজ একাডেমি
  • বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল

 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়

.     স্থানীয় সরকার বিভাগ

  • সচিবালয়
  • পল্লী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহ
  • এলজিইডি
  • ডিপিএইচই
  • রেজিস্টার জেনারেল কার্ডালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন

.     পল্লী উন্নয়ন সমবায় বিভাগ

  • সচিবালয়
  • সমবায় অধিদপ্তর

সারণী: স্থানীয় সরকার বিভাগের কাজ

মধ্যমেয়াদি কৌশলগত উদ্দেশ্যসমুহ প্রধান কার্যক্রমসমূহ সংশ্লিট দপ্তর/সংস্থা
. স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন জোরদারকরণ নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান ·         জাতীয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান

·         সচিবালয়

স্থানীয় সরকার বিষয়ে গবেষণা জাতীয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান
স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান সচিবালয়
ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ এলজিইডি
উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ এলজিইডি
. গ্রামীণ সড়ক অবগকাঠামো  উন্নয়ন ·         উপজেলা,ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়ক নির্মাণ,  পুননির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         উপজেলা,ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়কে ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ,  পুনর্নিমাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         গ্রামীন হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টার নির্মাণ

·         মহিলাদের জন্য বাজার সেকশন নির্মাণ

·         ঘুর্ণিঝড়/বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ

এলজিইডি
. উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার প্রদান নির্মাণ ও রক্ষলাবেক্ষণ কাজে মহিলা শ্রমিক নিয়োগ এলজিইডি
এল-সিএস মহিলা সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান   সচিবালয়
. সকলের জন্য নিরাপদ পানি সরবরহ স্যানিটেশন সুবিধা প্রদান ·         টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন, গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রয়োগ

·         Water, Sanitation and Hygiene (WASH)  সেক্টর সংশ্লিষ্ট মানব সম্পদ উন্নয়ন

·         পানি উৎসের গুণগত মান পরীক্ষাকরণ ও নিয়মিতভাবে পরিবীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ

·         নিরাপদ পানি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ ও হালনাগাদকরণ

ডিপিএইচই

 

·         পরিবেশ বান্ধব ইকো টয়লেট নির্মাণ

·         নিরাপদ পানির উৎস ও পানি সরবরাহের অবকাঠামো নির্মাণ

·         স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপন ও ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ

·         নিরাপদ পানি সরবরাহ ও ব্যবহার এবং আর্সেনিক বিষয়ে সচেতনকরণ

 

·         ডিপিএইচই

·         ঢাকা ওয়াসা

·         চট্টগ্রাম ওয়াসা

·         খুলনা ওয়াসা

·         রাজশাহী ওয়াসা এবং

·         সিটি কর্পোরেশনসমূহ

·         পৌরসভাসমূহ

. দরিদ্র বস্তিবাসীদের জীবন যাত্রার মান পরিবেশ উন্নয়ন                ·         শহরের দরিদ্র মা ও শিশুদের জন্য প্রথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও মাতৃসদন নির্মাণ

·         শহরের দরিদ্র মা ও শিশুদের প্রথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রসূতি মা’দের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

·         সচিবালয়

 

·         শহরের বস্তিবাসী ও ছিন্নমুল মানুষের জন্য মৌলিক অবকাঠামো সহায়তা প্রদান

·         বস্তি এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস ও স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপন

·         বস্তি এলাকায় পরিবেশবান্ধব স্যানিটেশন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন

·         ঢাকা ওয়াসা

·         চট্টগ্রাম ওয়াসা

·         খুলনা ওয়াসা এবং

·         সিটি কর্পোরেশনসমূহ

 

·         বস্তিবাসীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ
·         স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে বস্তিবাসিদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধকরণ

·         বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা/ প্রতিষেধক প্রদান

ডিপিএইচই

 

. বাধ্যতামূলকভাবে জন্ম নিবন্ধিকরণ নিশ্চিতকরণ ·         জন্ম নিবন্ধন কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ প্রদান

·         জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা

·         জন্ম তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধীকরণ

সচিবালয়

 

. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ·         গৃহস্থালীর জৈব ও অজৈব বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ

·         গৃহস্থালীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধকরণ ও সম্পৃক্তকরণ

·         স্যানিটারী ল্যান্ডফিল নির্মাণ

·         হাসপাতাল বর্জ্য সংগহ ও ব্যবস্থাপনা

সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহ

 

. ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদের ব্যবহার, সম্প্রসারণ সুযম বণ্টনের মাধ্যমে দরিদ্র জনগণের উপকৃত হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধিকরণ ·         পানি নিষ্কাশন ও সেচের জন্য খাল খনন/ পূণঃখনন

·         পানি সংরক্ষণের জন্য রাবার ড্যাম নির্মাণ

·         বন্যা ব্যবস্থাপনার জন্য রেণ্ডলেটর, ক্রসড্যাম, বাঁধ নির্মাণ/রক্ষণাবেক্ষণ

এলজিইডি
. পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিতকরণ ·         শহর এলাকায় রাস্তা,ফূটপাত,ড্রেন,বাতি, বাস/ ট্রাক টার্মিনাল, যানবাহন পার্কিং জায়গা নির্ধারণ ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         ড্রেন নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ  ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         কমিউনিটি স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         শহর এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ

·         শহর এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বাজার নির্মাণ

এলজিইডি

সিটি কর্পোরেশনসমূহ