জাতীয় বাজটে: র্পযালোচনার ধরণ ও কতপিয় মন্তব্য ২০১৫

মনোয়ার মোস্তফা

দশেরে উন্নয়ন অগ্রগতরি সঠকি নর্দিদেশনা ঠকি করার জন্য জাতীয় বাজটেরে র্পযালোচনা অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ। জুন মাসে জাতীয় সংসদে বাজটে পশে করার পরই এই গুরুত্বর্পূণ আলোচনা শুরু হয়ে যায়।
বাংলাদশেে বাজটে নয়িে সবচয়েে বশেি র্পযালোচনা হয় রাজধানী ঢাকা শহর।ে জলো বা উপজলো শহরগুলোতে এ নয়িে তমেন কারো কোন মাথাব্যাথা আছে বলে মনে হয় না। ঢাকা শহরে কারা এই সব আলোচনা-র্পযালোচনায় অংশ নয়ে? মূলত: র্অথ্নীতবিদি, সাংবাদকি, সাবকে আমলা, বড় ব্যবসায়ী, কছিু এনজওি র্কমর্কতা আর কছিু সংখ্যক পশোজীবী। তারা বাজটেরে কোন দকি গুলোকে সবচয়েে বশেি ‘ফোকাস’ কর?ে আমার নজিরে র্পর্যয্ক্ষণে হলো এই আলোচকবৃন্দরে আলোচনার শতকরা ৯০ ভাগই কন্দ্রেীভুত থাকে বশিষে কতকগুলো ‘ম্যাক্রো’ ইস্যূত।ে এগুলো হলো- বাজটেরে আকার, প্রবৃদ্ধ,ি সরকারি রাজস্বরে পরমিাণ, বনিয়িোগ, সরকারি লোন, ‘কালো টাকা’ ইত্যাদ।ি কউে কউে অবশ্য বভিন্নি খাতে বরাদ্দ নয়িওে কথা তোলনে।
মডিয়িাতে এই সব ম্যাক্রো বষিয়গুলো নয়িে র্তক বর্তিক ফলাও করে ছাপানো হয়।
বাজটে যে সাধারণ মানুষরে আলোচনার বষিয়বস্তু হতে পারে না, এটা তার একটা অন্যতম কারণ। প্রথম কারণটা অবশ্য সরকার নজিইে সৃষ্টি করে রখেছে।ে বাজটেকে যে জটলি গাণতিকি হসিাব-কতিাব আর প্রশাসনকি ‘কোড’, ‘ক্যাটগের’ি ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়, তা সাধারণ মানুষরে পক্ষে বুঝে ওঠা কঠনি। মূলত এ দুটি কারণইে বাজটে সাধারণ মানুষরে ‘মাথার ওপর দয়িে যায়’।
ম্যাক্রো বষিয়গুলো নয়িে কথা-র্বাতার গুরুত্ব নইে, তা বলছি না।কন্তিু শুধুমাত্র এগুলতিে যদি বশেি সময় ব্যয় করা হয়, তাহলে আসল ও প্রয়োজনীয় অনকে জনিসি বাদ পড়ে যায়, যগেুলো সাধারণ মানুষরে কাছে অনকে বশেি গুরুত্বর্পূণ।
শুরুতইে ম্যাক্রো কয়কেটি ইস্যূ নয়িে সাদা-মাটাভাবে কছিু কথা বলা দরকার। প্রথমইে আসে বাজটেরে ‘সাইজ’ নয়িে কথা।চলতি বছররে বাজটে নয়িইে বল।ি কউে কউে বলছেনে, এই বাজটেরে আকার অনকে বড়, এটা উচ্চাভলিাষী। আমার কাছ,ে এসব কথার কোন মানে নইে। বাংলাদশেরে বাজটেরে আকার আরো বড় হওয়া দরকার।কারণ আমাদরে র্অথনীতি আসলে অনকে বড়। জডিপি’ির যে হসিাব দয়ো হয়ছে,ে তার তুলনায় আমাদরে র্অথনীতরি ‘সাইজ’ অনকে বড়। মনে রাখতে হব,ে আমাদরে র্অথনীতরি একটা বড় অংশই ‘চোরাই র্অথনীতরি’, তার মানে সরকাররে হসিাবরে বাইরওে অনকে ধন-সম্পদ-টাকা-পয়সা এই র্অথনীততিে গড়াগড়ি খাচ্ছ।ে টাকা যে সবটা বদিশেে চলে গছে,ে এমনটা ভাবারও কারণ নইে। এ দশেইে আছে এবং বশিষে কছিু মানুষরে কাছে আছ।ে সইে সম্পদকে হসিবেরে মধ্যে নলি,ে এই র্অথনীতি আরো বড় বাজটে হজম করার সার্মথ্য রাখ।ে এমনকি যুক্তরি খাতরিে যদি ধরওে নইে য,ে জডিপি’ির আকার ১২ লক্ষ হাজার কোট টাকা, তাহলওে প্রশ্ন হলো, এই র্অথনীতরি ভতেরওে যে টাকা কর আকারে উঠার কথা তাও যদি ঠকিমতো উঠতো, তাহলওে রাজস্ব আয়রে পরমিান অনকে গুন বড়েে যতে।আমাদরে কর-জডিপি’ির অনুপাত এখন শতকরা ১১ থকেে ১২’র ভতেরে ওঠানামা করছ।েকর যদি ঠকিমতো উঠতো তাহল,ে অনকেরে মত,ে এটা জডিপি’ির শতকরা ১৮ ভাগ হতো। এ ক্ষত্রেে সংকটটা মূলত টাকা তোলার মশেনি-এর মধ্য।ে এই মশেনিটা, মূলত এনবআির, সে নজিে কতো টাকা ‘খয়ে’ে ফলেছ,ে তার একটা অনুমান আমরা করতে পার।ি তাছাড়া মশেনিটা র্অথনীতরি সাইজ ও ব্যবসা-বানজ্যিরে ভল্যূম-এর তুলনায় একটু ছোট ও অনাধুনকিও বট।ে এটাকে বড় করার জন্য র্অথমন্ত্রী বলছনে, আরো ৯০০০ লোক নয়িোগ দতিে হব।েতাছাড়া আধুনকি করতে বহু ক্ষত্রেে টকেনোলজরি এপ্লকিশেন ঘটাতে হব।ে কছিু আইন-কানুনও পরর্বিতন করতে হব।ে এগুলো করতে পারল,ে জডিপি’ির এই সাইজ-এর ভতেরওে, অনকে রাজস্ব আদায় সম্ভব। এ নয়িে কারো কোন দ্বমিত আছে বলে শুননি।ি সুতরাং যারা এই বাজটেকে ‘বশিাল’ বা ‘উচ্চাভলিাশী’ বলছনে, তারা আসলে বদ্যিমান চোরাই র্অথনতি ও নড়বড়ে মশেনিটাকে ‘নয়িত’ি হসিবেে মনেে নয়িছেনে।সুনীতরি প্রত্যাশা ও জনগণরে উজ্জল ভবষ্যিতরে স্বপ্নরে পক্ষোপটে এ ধরণরে র্পযালোচনা গ্রহণ করা মুশকলি।
প্রবৃদ্ধি নয়িে আমার খুব একটা মাথাব্যাথা নইে। প্রবৃদ্ধি হচ্ছে কতকগুলি সুষ্ঠু নীতি ও প্রক্রয়িার ‘লজক্যিাল কনসকিোয়ন্সে’। ওটা হবইে, কতো হবে তা নয়িে মাথা ব্যথার খুব একটা কারণ আছে বলে মনে হয় না।কনেনা আমরা কোন যুদ্ধ বা ধ্বংসরে মধ্যে নইে। এখানইে উঠে আসে সরকার-িবসেরকারি বনিয়িোগ-এর প্রশ্নটা। মনে রাখতে হব,ে আমরা বসেরকারি বনিয়িোগ-ড্রভিনে র্অথনীতরি মধ্যে আছ।ি বনিয়িোগ এখন জডিপি’ির ২৮ শতাংশ, যার মধ্যে সরকারি বনিয়িোগ হলো ৭ শতাংশ।এ ধরণরে বসেরকারি বনিয়িোগ-ড্রভিনে র্অথনীততিে সরকারি বনিয়িোগ-এর অবস্থানটা হলো ‘স্ট্যাটজিকি’। বনিয়িোগ এমন ক্ষত্রেে হতে হব,ে যাতে বসেরকারি বনিয়িোগ-ব্যবসা-বাণজ্যি উৎসাহতি হয়, উৎপাদনশীল র্কমসংস্থান বাড়।েএকটু কতোবি কায়দায় বলল,ে সরকারি বনিয়িোগ বশেি করতে হবে এমন সব খাতে যার ‘মাল্ট-িপ্লাইয়ার ইফক্টে’ বশে।ি ভৌত অবকাঠামোর বাইরে এরকম তনিটি গুরুত্বর্পূণ ক্ষত্রে হলো: শক্ষিা, স্বাস্থ্য ও সামাজকি নরিাপত্তা। যদওি ভৌত অবকাঠামোর ভতেরওে অগ্রাধকিার নর্ধিারণরে ব্যাপার আছ।ে
যোগাযোগ ব্যবস্থার ভতেরে কোনটাকে বশেি গুরুত্ব দবে, এটা এই সময়রে জন্য খুবই গুরুর্ত্বর্পণ ববিচেনা। সড়ক পথরে অবস্থা বহোল, এই চরম ঘনবসতপর্িূণ এলাকায় নতুন সড়ক বানানো বা বদ্যিমান সড়করে র্বধতিকরণ এখন এক বরিাট সমস্যা। সড়ক পথে প্রতদিনি যে পরমিাণ প্রাণহানি ঘট,ে যে পরমিান ইনজুরি ঘট,ে তার ক্ষতি অপরসিীম। এটা শুধু ড্রাইভারদরে অসর্তকতার জন্য ঘট,ে এমন ভাবাটা বোকাম।ি সুতরাং বকিল্প হলো, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও মোটামুটি পরবিশেবান্ধব রলে ও নৌ যোগাযোগ। এখানইে দরকার র্বধতি সরকারি বনিয়িোগ। কন্তিু বাজটে র্পযালোচনায় এ আলোচনা অতি সামান্য।
গ্যাস ও বদ্যিুৎ হলো এরকম আরকেটি স্ট্যাটজিকি জায়গা।কন্তিু বদ্যিুৎ উৎপাদন নয়িে যে তুঘলকি চলছ,ে তাতে কে শোনে কার কথা! এরই সাথে যুক্ত হয়ে আছ,ে সাধারণ মানুষরে জীবনযাত্রার প্রশ্নও। সরকারি বদ্যিুৎ উৎপাদন খরচ বড়েে যাবার ফল,ে বছরে ২/৩ বার বদ্যিুতরে দাম বাড়ানো হয়, বাড়নো হয় গ্যাসরে দাম। ফলে বাড়ে উৎপাদন খরচ, পরবিহন খরচ। মোটামুটি সব পণ্যরে দাম বাড়,ে মুদ্রাস্ফীতি ঘট,ে জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে নাড়া খায়। কররে বোঝা এখন সাধারণ মানুষরে জীবনযাত্রাকে সরাসরভিাবে তমেন কোন প্রভাব ফলেে না, কন্তিু গ্যাস-বদ্যিুতরে দাম বৃদ্ধি ঐ কর বৃদ্ধরি স্থান দখল করে ফলেছে।ে বাজটে র্পযালোচনার এই হলো আরকেটি গুরুর্ত্বর্পণ জায়গা।
শক্ষিা ও স্বাস্থ্যরে কথা উল্লখে করছেি আগইে। এ দুটোর ‘মাল্ট-িপ্লাইয়ার ইফক্টেট’ সবচয়েে বশে।ি দৃশ্যত এ দুটোতে সরকারি বনিয়িোগ কম বলইে, এর ‘কস্ট’ অনকে বড়েে গছে।ে শক্ষিার কথাই ধরুন। দায়ে ঠকেে ছাড়া কউে তার সন্তানকে সরকারি প্রাথমকি বদ্যিালয়ে পাঠাতে চায় না। মাধ্যমকি ও কলজে র্পযায়ওে একই অবস্থা। শক্ষিকদরে বতেন কম, শক্ষিা উন্নযনে ব্যয় কম, পদে পদে র্দুনীতি – এগুলোই এখন সরকারি শক্ষিা ব্যবস্থার অনুষঙ্গ। এই সব বদ্যিায়তনে শখো যায় না, তাই বড়েছেে কোচংি সন্টোররে ব্যবসা। অধ:পতন ঘটছেে শক্ষিক সমাজরে। দু’চারজন শক্ষিাবদি, দু’একটি ছাত্র সংগঠন আর দু’চারটি রাজনতেকি দল ছাড়া এই শক্ষিা বাজটে নয়িে কউে কথা বলে না। শক্ষিা বাজটে বাড়ানোর জন্য শক্ষিক সমাজ প্রতবিাদে মুখর হয়ছে,ে র্ধমঘট ডকেছে,ে এমন উদাহরণ খুজে পাবনে না। র্অথমন্ত্রী বলছনে, আমাদরে ‘সার্মথ্য’ বড়েছে।ে ভালো কথা। কন্তিু তার প্রতফিলন কোথায়? শক্ষিার ক্ষত্রেে যে কথা, স্বাস্থ্যরে ক্ষত্রেওে সইে একই কথা। দায় না ঠকেলে কউে সরকারি হাসপাতালে যায় না। কমউিনটিি ক্লনিকিে গয়িে কে স্বাস্থ্যসবো নয়ে? সখোনে কি ঠকি মতো ঔষধপত্র পাওয়া যায়? যারা সখোনে একবার গয়িছে,ে দ্বতিীয়বার আর যাবে ক-িনা জজ্ঞিসে করে দখেুন। উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে ডাক্তাররা থাকতে চায় না, এ নয়িে খোদ প্রধানমন্ত্রীও নাখোস।তাছাড়া এই খাতে আছে ভয়ানক র্দুনীত।ি স্বাস্থ্য প্রশাসনরে লোকজন এইসব দুনীতরি ভাগদিার, এ কথা কে না জান।ে সরকারি স্বাস্থ্য সবোর এই চত্রি মান,ে বসেরকারি স্বাস্থ্য সবো ব্যবস্থার রমরমা অবস্থা।ডাক্তারদরে প্রাইভটে প্রাকটসি, ক্লনিকি, হাসপাতাল, প্যথলজ-ি এসবরে বাড়বাড়ন্ত অবস্থা। বসেরকারি খাতরে এই স্বাস্থ্য সবোর মান নয়িওে আছে প্রশ্ন। শক্ষিা ও স্বাস্থ্য খাতরে বাজটে নয়িে আলোচনা করতে গলেে এসব প্রশ্ন উঠে আসব।ে কন্তিু ঢাকার ‘সুশীল সমাজ’ এসব আলোচনা খুব একটা তোলনে না।
এতক্ষন যে সব কথা বললাম, রাজনীতবিদি, জনপ্রতনিধিি কংিবা সরকারি আমলারা যে এগুলি জাননে না তা কন্তিু সত্য নয়। তারা সবই জাননে। কন্তিু কছিু করনে না। একটা কারণ হতে পার,ে যা নতিান্ত ব্যক্তগিত। এইসব লোকরো আসলে সরকারি কোন ধরণরে সবোর উপর নর্ভিরশীল নয়। আমাদরে খোদ রাষ্ট্রপতি সাধারণ শাররিীক ‘চকে-আপ’-এর জন্য সঙ্গিাপুর চলে যান। খোজ নয়িে দখেুন ক’জন সরকারি আমলার ছলে-েময়েে সরকারি স্কুলে বা কলজেে পড়।েএই ব্যক্তগিত অবস্থান ও অভজ্ঞিতাই হয়তো তাদরেকে সরকারি সবো ব্যবস্থার উন্নযনে ভূমকিা রাখতে খুব একটা উৎসাহ যোগায় না। তাছাড়া যসেব জায়গায় মানুষজন কম যায়, সখোনকার সম্পদ-টাকা-পয়সা লুট করতে সুবধিা। এটাও হয়তো একটা কারণ। এ ছাড়া আছ,ে নীত-িকাঠামো। সরকারি ব্যয় কমানোর নীত,ি র্অথনীতি ও রাষ্ট্রীয় নানা র্কাযক্রম থকেে সরকাররে হাত গুটয়িে নবোর নীত।ি নয়া-উদারবাদি এই চন্তিা কাঠামো, গলিে বসে আছে আমাদরে আমলারা, যারা রাষ্ট্রয়ি নীতি নর্ধিারণে গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা পালন কর।ে বাজটে নয়িে আলোচনা করতে গলে,ে এই সব কথা উঠে আসবইে। কন্তিু বাজটে নয়িে আলোচনা এই ধারায় অগ্রসর হয় না।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, আমাদরে মডিয়িা জগতরে একটা সহজাত বশৈষ্ট্যি আছ।ে তারা চলতি হাওয়ায় গা-ভাসাতে অভ্যস্ত।অনকে মডিয়িা ব্যক্তত্বি আছনে যারা বাংলাদশেরে সাধারণ মানুষরে এজন্ডোগুলো ভালো করে জাননে। বাজটেে সাধারণ মানুষরে ‘স্টকে’গুলো কি তাও বুঝনে, কন্তিু রপিোটংিএর সময়- ঢাকা শহররে কছিু র্অথনীতবিদি আর সাবকে আমলার কথাগুলোকইে তারা ‘হডে-লাইন’ করবনে, যা সাধারণ মানুষরে এজন্ডোগুলোকে তুলে ধরে না।
সব শষেে আসে সংসদ সদস্যদরে কথা। এই একটা বশিষে ‘ক্যাটগেরি অব পপিল’, ‘অদ্ভুত’ শব্দটাই তাদরে ক্ষত্রেে মানায়। সংসদে বাজটে নয়িে সরাসরি কথা বলার এখতয়িার তাদরে আছ,ে যদওি নানা আইন-কানুনরে বড়োজালে তাও কছিুটা সীমতি। কন্তিু যতোটুকু সুযোগ আছে সটোও তারা কাজে লাগান না। বাজটে যে একটা জাতীয় ব্যাপার, এই বষিযটাই তাদরে মাথাতে থাকে না। নজিরে এলাকায় ক’টা উন্নয়ন প্রজক্টে যাব,ে তাও আবার সতেু-কালর্ভা নর্মিান র্মাকা প্রজক্টে, তা নয়িইে তারা সংসদে কথা বলনে।কথা বলার জন্য যতটুকু সময একজন সংসদসদস্য পান, তার চার ভাগরে তনি ভাগ সময় ব্যয় করনে, বরিোধদলিকে গালগিালাজ করার জন্য আর বাকি সময়টা ঐ নজিরে এলাকার দাব-িদাওয়া। এই হলো মোটামুটভিাবে একজন সঙসদ সদস্যরে বাজটে বক্তৃতার সালতামাম।িএদরে অনকেইে এখন ভালো করে জাননে য,ে খসড়া বাজটে প্রণয়ন প্রক্রয়িায়, এমনকি সংসদে আলোচনার ক্ষত্রেওে তাদরে অনকে ধরণরে আইনী সমািবদ্ধতা আছ।ে সংবধিান ও র্কাপ্রণালবধিতিে এমন সব বধিান আছ,ে যা সঙসদ সদস্যদরে র্কাযকর বাজটে আলোচনায় অংশগ্রহন থকেে বরিত রাখ।ে মজার ব্যাপার হলো, তারা তাদরে এই ভূমকিাকে বাড়ানোর জন্যও কোন চষ্টো করনে না। কউে কখনো সংসদে প্রশ্ন তোলনে নি য,ে বাজটে প্রণযনে আমাদরে ভুমকিাকে আরো র্কাযকর করতে হলে অমুক ওমুক ধারা পরবিতৃন করতে হব।েবরঙ আপাতদৃষ্টতিে মনহেয, যা আছে তাতইে তারা খুশ।ি সঙসদে নজিরে ভূমকিাকে বড় করার চয়ে,ে বাজটে প্রণযনে সরাসরি অঙশগ্রহণরে চয়ে,ে তারা মন্ত্রাণালয়ে ‘তদবরি’ করতইে যনে স্বচ্ছন্দবোধ করনে।
সুতরাং বাজটে আলোচনা-র্পযালোচনার ক্ষত্রেে তথাকথতি সভিলি সমাজরে প্রতনিধিরিা, মডিয়িা আর সংসদসদস্যগণ যা করনে, তা কোন র্অথইে সাধারণ মানুষরে প্রত্রাশা ও চাহদিাকে ধারণ করে না।
সরকারি বনিয়িোগ নয়িে আরো একটা কথা বলা দরকার। র্বাষকি উন্নয়ন র্কমসূচি বা এডপিি সঙ্গা অনুযায়ী সরকারি বনিয়িোগরে বড় অংশ। বাস্তবে গোটা বাজটেটাই আসলে সরকারি বনিয়িোগ। এই বনিয়িোগরে পরমিান, ক্ষত্রে, বনিয়িোগরে ফলে উৎপন্নরে গুনগত মান- এগুলো নয়িে বৃহত্তর পরসিরে আলোচনা হওয়া দরকার। বাজটে আলোচনা যে ত্রয়ী’র ভতেরে সীমাবদ্ধ হয়ে আছ,ে সটো না ভাঙ্গতে পারল,ে সরকাররে র্অথনতৈকি র্কমকান্ডরেস্বচ্চতা ও জবাবদহিতিা নশ্চিতি করা যাবে না। একটা গণতান্ত্রকি সমাজ ও রাষ্ট্ররে জন্য এটা অত্যন্ত জরুর।ি