What is DBM?

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন

উদ্দেশ্য

  • জাতীয় বাজেটের গণতন্ত্রায়নের জন্য দেশব্যাপী নাগরিক আন্দোলন সৃষ্টি করা;
  • জাতীয় বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় নীতি-কাঠামো বিশ্লেষণ ও নাগরিক সংলাপের আয়োজন করা;
  • সরকার, সংসদ, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী, সরকারি কর্মকর্তার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে আলোচনা ও অধি-পরামর্শ করা।

গণতান্ত্রিক বাজেটের মূল কথা

  • জাতীয় বাজেট প্রণয়নে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং কৌশল হিসেবে জেলাভিত্তিক বাজেট (প্রাথমিক পর্যায়ে) এবং পর্যায়ক্রমে আইন নির্ধারিত অন্যান্য স্থানীয় সরকার পর্যায়ে বাজেট প্রণয়ন করা; সেক্টরভিত্তিক পদ্ধতি বা বাজেট বরাদ্দ পরিহার করা, জেলা বা আঞ্চলিক বাজেট কাঠামোতে সেক্টরভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ রাখা; বাজেট প্রμিয়ায় জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য কার্যকরী ইলেক্ট্রনিক
  • সরকার ব্যবস্থা চালু করা;
  • জাতীয় বাজেট ও আঞ্চলিক বাজেটের খাত/বিভাগসমূহ আলাদা করা; আঞ্চলিক পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য সম্ভাব্য খাতসমূহ নির্দিষ্ট করা, যেমন-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী, শিশু, কৃষি স¤প্রসারণ, শিল্প, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি;
  • জাতীয় বাজেট ও আঞ্চলিক বাজেটের পরিপূরক খাতগুলো চিহ্নিত করা; আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য ও চাহিদার ভিত্তিতে সম্পদ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা; বাজেটে অধিকারভোগী বা উপকারভোগীর মতামতের প্রতিফলন ঘটানো;
  • আঞ্চলিক ও জাতিগত বৈষম্য বিবেচনা করা; কর ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে জেলা/উপজেলা/ইউনিয়ন পর্যায়ে বাজেট বরাদ্দ করা; সুষম জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অধিকতর দারিদ্র্যপ্রবণ অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়া;
  • সংসদসদস্যদের কার্যকরী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; জাতীয় সংসদে জেলা/অঞ্চল ভিত্তিতে বিস্তারিত আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা;
  • প্রতিবেশ-পরিবেশ বিবেচনায় বাজেটকে বিবেচনা করা ও অন্যান্য মাপকাঠি নির্দিষ্ট করা; আঞ্চলিক বাজেটের জন্য শুধু লজিস্টিকস্ নয়, সেবার মান উন্নত করার জন্য কর্মসূচি নেওয়া। ব্যবস্থাপনা ও কার্যকরী জনবলকে অন্যতম বিবেচনা হিসেবে নেওয়া।

গণতান্ত্রিক বাজেট কি

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে ‘জাতীয় বাজেট’ একটি অত্যাবশ্যকীয় নীতি নির্ধারণী বিষয় যেখানে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনমানুষের অংশগ্রহণ অতি প্রয়োজনীয়, কেননা তারা উন্নয়ন কর্মসূচীর প্রকৃত অধিকারভোগী। বলার অপেক্ষা রাখেনা বাংলাদেশের বাজেট প্রণয়ণ প্রক্রিয়া এখনো পর্যন্ত অতিকেন্দ্রীভূত ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ভর যেখানে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন ও প্রাধান্য সীমিত। আনুষ্ঠানিকভাবে যদিও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কিছু চাহিদা উপস্থাপন করা যায়, কিন্তু বাজেট প্রণয়নের মূল ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে কেন্দ্রীয় সরকার এবং জাতীয় পর্যায়ের কিছু বাজেট প্রণেতার হাতে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, দেশের ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক এলাকার বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন চাহিদা স্বতন্ত্র কেননা তারা প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক-সাং¯কৃতিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এবং তাদের উন্নয়ন চাহিদাও স্বতন্ত্র। অথচ ‘ওয়ান সাইজ ফিটস্ অল’ নীতির কারণে জাতীয় বাজেটে ভিন্ন ভিন্ন এলাকার ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রকৃত প্রয়োজন ও চাহিদা প্রতিফলিত হয় না।

গত চার দশকের গবেষণা, অধ্যয়ণ, জনমত গঠন ও নাগরিক সমাজের অন্যতম প্রধান আলোচ্যবিষয় হলো প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সংবিধানের ধারা ১১, ৫৯ এবং ৬০-এ এটা স্পষ্ট যে, উন্নয়ন পরিকল্পনায় ‘বিকেন্দ্রীকরণের’ কোন বিকল্প নেই যা জনঅংশগ্রহণের জন্য একটা পথ রচনা করে; কিন্তু উদ্বিগ্নের কারণ হলো ‘বাজেট বিকেন্দ্রীকরণ’ বিষয়টি এখনো নীতি-আলোচনার বাইরে থেকে গেছে এবং বাজেট প্রণয়নে বিভিন্ন স্তরে সরাসরি জনঅংশগ্রহণ এখনো অদেখাই থেকে গেছে। এটা অত্যন্ত লক্ষণীয় যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যেমন- সংসদসদস্যরাও জাতীয় বাজেট প্রণয়ণে তাদের মতামত সরকারিভাবে দিতে পারেন না।  বাজেটে মেহনতি মানুষের জন্য বর্তমানে যে সম্পদ  ও অর্থ বরাদ্দ থাকে তা তাদের সামগ্রিক প্রয়োজন খুব কমই পূরণ করতে পারে। যতটুকু বরাদ্দ থাকে তার বাস্তবায়ন কেন্দ্রীভূত বাজেট প্রক্রিয়ার কারণে ঠিকমতো সম্ভব হয় না। এসবের সামগ্রিক ফলাফলের কারণে দেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।  সুতরাং দারিদ্র্য পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হলে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জনঅংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা জরুরী এবং সেজন্য জাতীয় বাজেটের বিকেন্দ্রীকরণ বিষয়ে জনমত গঠন করা একটি সময়ের দাবি। এ প্রসঙ্গে সরকারের রূপকল্প বা ভিশন ২০২১(ধারা-২), দিন বদলের সনদ এবং প্রধান বিরোধী দলসহ অন্যান্য প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে প্রশাসনিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও গণঅংশায়ন বিষয়ে যথেষ্ট ইতিবাচক প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকারকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনৈতিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন সাধন করা হবে। উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিয়ামক ভূমিকা পালন করবে স্থানীয় সরকার। এ উদ্দেশে জেলা ও উপজেলার স্থানীয় সরকারকে স্বনির্ভর ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে’।

কেন বাজেট আন্দোলন

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের লক্ষ্য হচ্ছে কেন্দ্র ও আমলানির্ভর জাতীয় বাজেটকে অধিকতর জনমূখী করে গড়ে তোলার জন্য সাধারণ নাগরিকের  প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করা। আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য হল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ নাগরিক, করদাতা ও পেশাজীবিদের মধ্যে জাতীয় বাজেটের কাঠামো, প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক-অর্থনীতি সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা তৈরিতে সহায়তা করা। পাশাপাশি ‘বাজেট বিকেন্দ্রীকরণ’ ধারণাটি নীতি-পরামর্শ, বিশ্লেষণ, প্রচার ও জনস¤পৃক্তকরণের মাধ্যমে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়  হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। সর্বোপরি এ বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণী মহল, সংসদসদস্য, রাজনৈতিক  দল ও সংশ্লিষ্ট  দপ্তরের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কাঠামো তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন গড়ে ওঠার ভিত্তি ও পর্যায়সমূহ

  • ২০০০-২০০২: পিআরএসপি বা দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্রে জনঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রচারাভিযান পরিচালনা।
  • ২০০৩-২০০৫: জাতীয় বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের জন-সমাবেশীকরণ ও প্রচারাভিযান পরিচালনা।
  • ২০০৫-২০০৮: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক সাক্ষরতা ও সরকারের বাজেট দায়বদ্ধতা (এলব্যাগ ) শীর্ষক একটি নাগরিক শিক্ষা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ ও প্রসার ।
  • ২০০৮: সমমনা নাগরিক, অর্থনীতিবিদ, পেশাজীবি, উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং গণসংগঠনের সমন্বয়ে প্রথাগত বাজেট আন্দোলনের বিপরীতে জাতীয় বাজেট কাঠামো ও প্রণয়ন প্রক্রিয়ার পুনর্গঠন বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন সৃষ্টির গুরুত্ব অনুধাবন ও গণতান্ত্রিক বাজেট এর  ধারণা নির্মাণ।
  • ২০০৯:  আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু, আহবায়ক কমিটি গঠন এবং ৭টি বিভাগ ও পার্বত্য অঞ্চল সহ মোট ৮টি অঞ্চলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে প্রথম জাতীয় সম্মিলন অনুষ্ঠান।
  • ২০১০: জেলা কমিটি গঠনের প্রস্তাব পাশ, দেশব্যাপী প্রচারণা, কর্মশালা ও দ্বিতীয় জাতীয় সম্মিলন অনুষ্ঠান।
  • ২০১১: ২৭টি জেলায় কর্মসূচির প্রসার এবং ২২টি জেলাতে কমিটি তৈরির পরিবেশ সৃষ্টি। ব্যাপক পরিসরে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও প্রচারণা কর্মসূচি পালন। সংসদসদস্যদের সাথে ধারণার ঐক্য নির্মাণ।
  • ২০১২: দেশব্যাপী প্রচারণা, কর্মশালা ও ২২টি জেলা কমিটির অংশগ্রহণে তৃতীয় জাতীয় সম্মিলন অনুষ্ঠান, জাতীয় পরিষদ গঠন, সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদন. সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন, সভাপতির মনোনয়ন, সংসদীয় ককাস গঠন প্রক্রিয়ায় কৌশলগত সহায়তা প্রদান।
  • ২০১৩: স্টিয়ারিং কমিটি পুনর্গঠন, সভাপতি নির্বাচন, সাংগাঠনিক কাঠামো সুসংহতকরণ, নতুন প্রচারণা কৌশল নির্ধারণ।

গণতান্ত্রিক বাজেটের বৈশিষ্ট্য কেমন হবে

  • জাতীয় বাজেটে জনমতের প্রতিফলন পেতে হলে প্রথমেই দরকার একটি গণতান্ত্রিক বাজেট প্রক্রিয়া যার প্রণয়ণ, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন হতে হবে বিকেন্দ্রিক। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক কাঠামোর কোন স্তর থেকে বাজেট বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে তা বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও জনপর্যালোচনার দাবী রাখে। যেহেতু বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত সেক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে জেলাভিত্তিক পরিকল্পনা ও বাজেট তৈরির জন্য রূপরেখা প্রণয়ন করা যেতে পারে। প্রসঙ্গতঃ স্বাধীনতা পরবর্তি জেলা বাজেট টাস্কফোর্স এর সুপারিশ এক্ষেত্রে বিবেচনায় আনা দরকার।
  • সার্বিকভাবে গণতান্ত্রিক বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে,
    • জাতীয় বাজেট প্রণয়নে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা,
    • কৌশল হিসেবে জেলা ভিত্তিক বাজেট (প্রাথমিক পর্যায়ে) এবং পর্যায়ক্রমে আইন নির্ধারিত অন্যান্য স্থানীয় সরকার পর্যায়ে বাজেট প্রণয়ন করা,
    • প্রচলিত খাতভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ পরিহার করা, বরং জেলা বা আঞ্চলিক বাজেট কাঠামোতে সেক্টরভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ রাখা যার সামষ্টিক খাত ভিত্তিক চিত্র জাতীয় বাজেটে তুলে ধরা যেতে পারে,
    • জাতীয় বাজেটের আয়াত্বাধীন খাত ও আঞ্চলিক বাজেটের আয়াত্বাধীন খাতগুলো আলাদা করা, সম্পূরক খাতগুলো এক্ষেত্রে চিহ্ণিত করা।
  • স্থানীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য সম্ভাব্য খাতসমূহ তথা অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নখাত নির্দিষ্ট করা, যেমন – শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি স¤প্রসারণ, শিল্প, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।
  • খাত নির্দিষ্ট করার পর বিকেন্দ্রিকৃত খাতে  জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ  করা (বিশেষতঃ মৌলিক সেবাখাত – স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জন খাদ্যবন্টন ব্যবস্থা, পানি ইত্যাদি)।
  • আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য ও চাহিদার ভিত্তিতে সম্পদ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
  • কর ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে জেলা/ উপজেলা/ ইউনিয়ন পর্যায়ে বাজেট বরাদ্দ করা।
  • সুষম জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অধিকতর দারিদ্র প্রবণ অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেয়া।
  • আঞ্চলিক ও জাতিগত বৈষম্য বিবেচনা করা।
  • সংসদসদস্যদের কার্যকরী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  • জাতীয় সংসদে জেলা ও অন্যান্য অঞ্চল ভিত্তিতে বিস্তারিত আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা।
  • প্রতিবেশ পরিবেশ বিবেচনায় বাজেটকে বিবেচনা করা ও অন্যান্য  সূচক নির্দিষ্ট করা।
  • আঞ্চলিক বাজেটের জন্য শুধু লজিস্টিকস্ নয়, ব্যবস্থাপনা ও কার্যকরী জনবলকে অন্যতম বিবেচনা হিসেবে নেওয়া।
  • বাজেটে উপকারভোগী/ ভোক্তার মতামতের প্রতিফলন করা।
  • সেবার মান উন্নত করার জন্য কর্মসূচি নেয়া।
  • বাজেট প্রক্রিয়ায় জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য কার্যকরী ই-গভার্নেন্স চালু করা।

আমাদের কর্মসূচি

  • বাজেট বিকেন্দ্রীকরণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সহজপাঠ্য প্রকাশনা প্রকাশ, গণমাধ্যমকে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রচারণা কর্মসূচি চালানো।
  • বাজেট বিকেন্দ্রীকরণ বিষয়ে তৃণমূলের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে জনমত জরীপ এবং এ বিষয়ে জনমত সংগঠিত করতে জনসমাবেশীকরণ।
  • জেলা, উপজেলা পর্যায়ে বাজেটকর্মীদের জন্য বাজেট স্বাক্ষরতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন।
  • গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে বাজেটে অংশগ্রহণের অধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে ইউনিয়ন পরিষদকে ওয়ার্ড সভা আয়োজনে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা।
  • উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট ট্র্যাকিং এবং সামাজিক নিরীক্ষা করা।
  • প্রচলিত বাজেটের বিকল্প হিসেবে ছায়া বাজেট প্রণয়নে সহযোগিতা প্রদান করা।
  • জাতীয় বাজেটের গঠন ও প্রণয়ন বিষয়ে সরকার, দাতা সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সাথে বহুপাক্ষিক সংলাপ অনুষ্ঠান আয়োজন করা।